বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিকে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সীমাবদ্ধতা থেকে বের করে বেসরকারি খাত, কৃষি, শিল্প ও রপ্তানিনির্ভর উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছেন। তার প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল স্বনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের রূপরেখা।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ব্যাংকার্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রাজধানীর মিরপুরে (কাফরুলে) জামিয়া আরাবিয়া খাদিমুল ইসলাম মাদ্রাসায় দোয়া ও এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. রফিক বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষকই নন, তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন এবং উৎপাদনমুখী জাতি গঠনে তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ভিত্তিক নীতি গ্রহণ, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি দৃঢ় ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। তার নেওয়া দূরদর্শী পদক্ষেপের সুফল দেশের মানুষ এখনও ভোগ করছে।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন অনুসরণ করেই একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা জজ মো. ফরিদুল আলম, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাদের সিদ্দিকী, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারহানা চৌধুরী বেবী।
অনুষ্ঠানে যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা, ডা. কায়েস, ডা. রায়হান, ডা. মমী, ডা. সিফাতসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সিনিয়র ব্যাংকার, পেশাজীবী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিকে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সীমাবদ্ধতা থেকে বের করে বেসরকারি খাত, কৃষি, শিল্প ও রপ্তানিনির্ভর উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছেন। তার প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল স্বনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের রূপরেখা।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ব্যাংকার্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রাজধানীর মিরপুরে (কাফরুলে) জামিয়া আরাবিয়া খাদিমুল ইসলাম মাদ্রাসায় দোয়া ও এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. রফিক বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষকই নন, তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন এবং উৎপাদনমুখী জাতি গঠনে তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ভিত্তিক নীতি গ্রহণ, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি দৃঢ় ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। তার নেওয়া দূরদর্শী পদক্ষেপের সুফল দেশের মানুষ এখনও ভোগ করছে।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন অনুসরণ করেই একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা জজ মো. ফরিদুল আলম, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাদের সিদ্দিকী, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারহানা চৌধুরী বেবী।
অনুষ্ঠানে যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা, ডা. কায়েস, ডা. রায়হান, ডা. মমী, ডা. সিফাতসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সিনিয়র ব্যাংকার, পেশাজীবী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন