সংবাদ

দেড় শ বছরেও জোটেনি নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পিএম

দেড় শ বছরেও জোটেনি নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন
কপোতাক্ষ নদের তীরে পৌরসভার বর্জ্য ফেলার দৃশ্য। ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে বাইপাস সড়কের পাশে ও কপোতাক্ষ নদের তীরে দীর্ঘ দিন ধরে ফেলা হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য। ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পৌরসভার বয়স দেড় শ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজস্ব কোনো ডাম্পিং জোন বা বর্জ্যাগার তৈরি হয়নি। ফলে প্রতিদিনের ময়লা-আবর্জনা নদের তীরে ফেলায় এলাকাটি এখন বিশাল ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধ আর দূষণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের গৃহস্থালি বর্জ্য, পচা আবর্জনা ও পলিথিন প্রতিদিন ট্রাকে করে এনে বাইপাস সড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝে মাঝে হাসপাতালের বর্জ্যও এখানে ফেলা হয়। স্তূপ করে রাখা এই ময়লা থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করতে হয়। বৃষ্টির সময় এই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় অটোরিকশাচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসে। এখানে কুকুর ও কাকের আনাগোনা থাকে, যা পরিবেশকে আরও নোংরা করছে।’ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সাহিত্যিক শ্রী নিখিল বলেন, জনবসতির পাশে এভাবে বর্জ্য ফেলা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। এতে কপোতাক্ষ নদের পানিও দূষিত হচ্ছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে ও নদের তীরে ময়লা ফেলা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা শ্রী নিতাইয়ের দাবি, দ্রুত এই ময়লা অপসারণ করে স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনের ব্যবস্থা করা হোক।

এ বিষয়ে মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


দেড় শ বছরেও জোটেনি নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে বাইপাস সড়কের পাশে ও কপোতাক্ষ নদের তীরে দীর্ঘ দিন ধরে ফেলা হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য। ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পৌরসভার বয়স দেড় শ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজস্ব কোনো ডাম্পিং জোন বা বর্জ্যাগার তৈরি হয়নি। ফলে প্রতিদিনের ময়লা-আবর্জনা নদের তীরে ফেলায় এলাকাটি এখন বিশাল ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধ আর দূষণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের গৃহস্থালি বর্জ্য, পচা আবর্জনা ও পলিথিন প্রতিদিন ট্রাকে করে এনে বাইপাস সড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝে মাঝে হাসপাতালের বর্জ্যও এখানে ফেলা হয়। স্তূপ করে রাখা এই ময়লা থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করতে হয়। বৃষ্টির সময় এই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় অটোরিকশাচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসে। এখানে কুকুর ও কাকের আনাগোনা থাকে, যা পরিবেশকে আরও নোংরা করছে।’ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সাহিত্যিক শ্রী নিখিল বলেন, জনবসতির পাশে এভাবে বর্জ্য ফেলা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। এতে কপোতাক্ষ নদের পানিও দূষিত হচ্ছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে ও নদের তীরে ময়লা ফেলা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা শ্রী নিতাইয়ের দাবি, দ্রুত এই ময়লা অপসারণ করে স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনের ব্যবস্থা করা হোক।

এ বিষয়ে মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত