বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ইরানকে একটি যৌথ আঞ্চলিক কৌশলের প্রস্তাব দিয়েছে ওমান। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পারস্য উপসাগরীয় একটি সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।
ওমানের এই প্রস্তাবে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে। প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য হলো, অতি গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর যেন এককভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণ না থাকে। ওমান প্রস্তাব করেছে, হরমুজ প্রণালিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ‘মালাক্কা প্রণালি’র আদলে পরিচালিত হতে পারে। যেখানে এই নৌপথ ব্যবহারকারী দেশগুলো স্বেচ্ছামূলক ফি প্রদানের মাধ্যমে নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা, পরিবেশ রক্ষা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে অর্থায়ন করে থাকে।
সম্প্রতি ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ার পর এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এই পথে উত্তেজনা কমলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে তার ‘ভালো আলোচনা’ চলছে এবং একটি চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, আলোচনা ব্যর্থ হলে পুনরায় হামলা শুরু হতে পারে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সোমবার ওমান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আরাকচি এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি হরমুজ প্রণালিতে অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী পদক্ষেপ’কে দায়ী করেন।
সূত্র : রয়টার্স
\স

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ইরানকে একটি যৌথ আঞ্চলিক কৌশলের প্রস্তাব দিয়েছে ওমান। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পারস্য উপসাগরীয় একটি সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।
ওমানের এই প্রস্তাবে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে। প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য হলো, অতি গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর যেন এককভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণ না থাকে। ওমান প্রস্তাব করেছে, হরমুজ প্রণালিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ‘মালাক্কা প্রণালি’র আদলে পরিচালিত হতে পারে। যেখানে এই নৌপথ ব্যবহারকারী দেশগুলো স্বেচ্ছামূলক ফি প্রদানের মাধ্যমে নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা, পরিবেশ রক্ষা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে অর্থায়ন করে থাকে।
সম্প্রতি ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ার পর এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এই পথে উত্তেজনা কমলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে তার ‘ভালো আলোচনা’ চলছে এবং একটি চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, আলোচনা ব্যর্থ হলে পুনরায় হামলা শুরু হতে পারে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সোমবার ওমান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আরাকচি এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি হরমুজ প্রণালিতে অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী পদক্ষেপ’কে দায়ী করেন।
সূত্র : রয়টার্স
\স

আপনার মতামত লিখুন