অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। আজ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। চলমান সিরিজ জিতে যাওয়ায় বাংলাদেশের সামনে হোয়াইটওয়াশের মিশন। আজ বেলা ১১টায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের তৃতীয় ওয়ানডে।
অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারানোর
পর খুব বড় কোনো উল্লাসে মাতেনি বাংলাদেশ দল। একটা ভিডিওতে বরং দেখা যায় ড্রেসিংরুমে
আত্মসমালোচনায় মুখর ছিলেন ক্রিকেটাররা। তার সঙ্গে সুর মেলান ওপেনার সৌম্য সরকার। বাঁ-হাতি
ব্যাটারের মতে বড় আসরে ভালো করলেই মূলত সবাই গোনায় ধরবে।
সেই ২০১৫ সাল থেকেই ওয়ানডেতে
দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ভালো করে আসছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড ছাড়া এখানে আসা সব দলকেই হারিয়েছে
তারা। তবে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা এশিয়া কাপে গেলেই থাকে না টাইগারদের দাপট।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অল্প রানে অস্ট্রেলিয়ার
৫ উইকেট পড়ার পর শতরানের জুটি হওয়াকে দলের ঘাটতি হিসেবে তুলে ধরে সেদিন বক্তব্য দেন
মোস্তাফিজুর রহমান। তার মতে বড় দল হলে এসব পরিস্থিতিতে ভিন্ন কিছু দেখা যেত।
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ লক্ষ্য
করে নিজেদের তৈরি করছে বাংলাদেশ দল। ঘরের মাঠে এসব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জেতার আনন্দ যেমন
থাকবে, আগামীর কঠিন চ্যালেঞ্জে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর বাস্তব চিন্তাও করা দরকার
মনে করেন সৌম্য।
গতকাল মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে
সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৌম্য বলেন, ‘যেকোনো একটা বিশ্বকাপ
শেষ হয়ে গেলে তখন নতুন করে দল চিন্তা করে পরের বিশ্বকাপে কীভাবে ভালো করা যায়। মোস্তাফিজ
যে কথাগুলো বলেছে অবশ্যই ঠিক। বড় দল হতে গেলে আইসিসি ইভেন্টে ভালো করতেই হবে। কাজেই
আমরাও চাচ্ছি যেন একটা দল হয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে এমন কিছু করতে পারি যেন টিমকে অনেক
বড় উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারি।’
প্রথম ওয়ানডেতে একাদশে ছিলেন
না সৌম্য। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শুরুর দিকেও একাদশে বিবেচিত হননি
তিনি। অথচ ঠিক আগের সিরিজেই তিনি ছিলেন সেরা ব্যাটার। এবারও শুরুতে না থাকার পর সাইফ
হাসানের ব্যর্থতায় সুযোগ মেলে। একাদশে ফিরে কঠিন কন্ডিশনে করেন ৪২ রান। নিজের স্কোরটা
আরও বড় করার সুযোগ হাতছাড়া করলেও ঘাটতির জায়গা শুধরে নিজেকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন
তিনি।
এই ম্যাচেও কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষায়
না গিয়ে সেরা সমন্বয় খেলানোর পক্ষে তিনি, ‘এটা ম্যানেজমেন্টের বিষয় (কারা খেলবে)। তারপরেও
বলব, আমার দিক থেকে জিজ্ঞাসা করলে বলব যে পরীক্ষা না করাটাই ভালো কারণ অনেক বড় দলের
সঙ্গে আমরা খেলছি। ৩-০ অনেক বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট হবে। তো যারা সেরা আছে তাদেরকেই খেলানো
উচিত।’
চোট পাওয়া দলীয় অধিনায়ক মেহেদী
হাসান মিরাজকে নিয়ে সৌম্য বলেন, ‘মিরাজ দলের সাথে যোগ দিয়েছে। এখনও চিকিৎসকরা দেখছে।
আগামীকাল পর্যন্ত সময় আছে। দলের সাথেই আছে সে, ভালো আছে।’
সৌম্য মনে করেন, অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে সিরিজ জয় আরো বড় করে উদযাপন করা উচিৎ, ‘আমরা যে সিরিজ জিতেছি, এটা সবার অনেক
বড় করে উদযাপন করা উচিৎ ছিল। এটা অনেক বড় অর্জন। কতটুকু করেছি জানি না, তবে করা উচিৎ
ছিল। (হোয়াইটওয়াশ) অবশ্যই অনেক বড় হবে। যখন সিরিজ জিতেছি, এটাই অনেক বড় অর্জন। এটাই
অনেক বড়ভাবে উদযাপন করা উচিৎ ছিল। ৩-০ ব্যবধানে জিততে পারলে আরও বড় অর্জন হবে। আমাদের
সবার লক্ষ্যও থাকবে এটা। ইতিবাচক ক্রিকেট খেলবো। যারা তিন বিভাগেই ভালো করবে, তারাই
জিতবে।’

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। আজ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। চলমান সিরিজ জিতে যাওয়ায় বাংলাদেশের সামনে হোয়াইটওয়াশের মিশন। আজ বেলা ১১টায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের তৃতীয় ওয়ানডে।
অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারানোর
পর খুব বড় কোনো উল্লাসে মাতেনি বাংলাদেশ দল। একটা ভিডিওতে বরং দেখা যায় ড্রেসিংরুমে
আত্মসমালোচনায় মুখর ছিলেন ক্রিকেটাররা। তার সঙ্গে সুর মেলান ওপেনার সৌম্য সরকার। বাঁ-হাতি
ব্যাটারের মতে বড় আসরে ভালো করলেই মূলত সবাই গোনায় ধরবে।
সেই ২০১৫ সাল থেকেই ওয়ানডেতে
দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ভালো করে আসছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড ছাড়া এখানে আসা সব দলকেই হারিয়েছে
তারা। তবে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা এশিয়া কাপে গেলেই থাকে না টাইগারদের দাপট।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অল্প রানে অস্ট্রেলিয়ার
৫ উইকেট পড়ার পর শতরানের জুটি হওয়াকে দলের ঘাটতি হিসেবে তুলে ধরে সেদিন বক্তব্য দেন
মোস্তাফিজুর রহমান। তার মতে বড় দল হলে এসব পরিস্থিতিতে ভিন্ন কিছু দেখা যেত।
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ লক্ষ্য
করে নিজেদের তৈরি করছে বাংলাদেশ দল। ঘরের মাঠে এসব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জেতার আনন্দ যেমন
থাকবে, আগামীর কঠিন চ্যালেঞ্জে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর বাস্তব চিন্তাও করা দরকার
মনে করেন সৌম্য।
গতকাল মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে
সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৌম্য বলেন, ‘যেকোনো একটা বিশ্বকাপ
শেষ হয়ে গেলে তখন নতুন করে দল চিন্তা করে পরের বিশ্বকাপে কীভাবে ভালো করা যায়। মোস্তাফিজ
যে কথাগুলো বলেছে অবশ্যই ঠিক। বড় দল হতে গেলে আইসিসি ইভেন্টে ভালো করতেই হবে। কাজেই
আমরাও চাচ্ছি যেন একটা দল হয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে এমন কিছু করতে পারি যেন টিমকে অনেক
বড় উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারি।’
প্রথম ওয়ানডেতে একাদশে ছিলেন
না সৌম্য। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শুরুর দিকেও একাদশে বিবেচিত হননি
তিনি। অথচ ঠিক আগের সিরিজেই তিনি ছিলেন সেরা ব্যাটার। এবারও শুরুতে না থাকার পর সাইফ
হাসানের ব্যর্থতায় সুযোগ মেলে। একাদশে ফিরে কঠিন কন্ডিশনে করেন ৪২ রান। নিজের স্কোরটা
আরও বড় করার সুযোগ হাতছাড়া করলেও ঘাটতির জায়গা শুধরে নিজেকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন
তিনি।
এই ম্যাচেও কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষায়
না গিয়ে সেরা সমন্বয় খেলানোর পক্ষে তিনি, ‘এটা ম্যানেজমেন্টের বিষয় (কারা খেলবে)। তারপরেও
বলব, আমার দিক থেকে জিজ্ঞাসা করলে বলব যে পরীক্ষা না করাটাই ভালো কারণ অনেক বড় দলের
সঙ্গে আমরা খেলছি। ৩-০ অনেক বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট হবে। তো যারা সেরা আছে তাদেরকেই খেলানো
উচিত।’
চোট পাওয়া দলীয় অধিনায়ক মেহেদী
হাসান মিরাজকে নিয়ে সৌম্য বলেন, ‘মিরাজ দলের সাথে যোগ দিয়েছে। এখনও চিকিৎসকরা দেখছে।
আগামীকাল পর্যন্ত সময় আছে। দলের সাথেই আছে সে, ভালো আছে।’
সৌম্য মনে করেন, অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে সিরিজ জয় আরো বড় করে উদযাপন করা উচিৎ, ‘আমরা যে সিরিজ জিতেছি, এটা সবার অনেক
বড় করে উদযাপন করা উচিৎ ছিল। এটা অনেক বড় অর্জন। কতটুকু করেছি জানি না, তবে করা উচিৎ
ছিল। (হোয়াইটওয়াশ) অবশ্যই অনেক বড় হবে। যখন সিরিজ জিতেছি, এটাই অনেক বড় অর্জন। এটাই
অনেক বড়ভাবে উদযাপন করা উচিৎ ছিল। ৩-০ ব্যবধানে জিততে পারলে আরও বড় অর্জন হবে। আমাদের
সবার লক্ষ্যও থাকবে এটা। ইতিবাচক ক্রিকেট খেলবো। যারা তিন বিভাগেই ভালো করবে, তারাই
জিতবে।’

আপনার মতামত লিখুন