বিশ্বকাপের আয়োজক হিসাবে প্রথম থেকে নানা বিতর্কে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ফুটবলাররা সে সবের দিকে না তাকিয়ে, নিজেদের প্রস্তুতি চালিয়ে গিয়েছেন। তার ফল মিললো বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই। প্যারাগুয়েকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র ।
এ বারের মার্কিন দলটি আগের চেয়ে
অনেক আত্মবিশ্বাসী ও আগ্রাসী। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে রাখতে চেয়েছেন
ফোলারিন বালোগান, ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচেরা। নিজেদের মধ্যে অসংখ্য পাস খেলে আক্রমণে উঠছেন।
একসঙ্গে ৪-৫ জন ফুটবলার সমানে ওঠা নামা করে খেলছেন। মাঠ জুড়ে খেলার চেষ্টা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রর
প্রেসিং ফুটবলের সামনে দাঁড়াতে পারেনি প্যারাগুয়ে। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে
গিয়ে ম্যাচের ফলাফল একরকম নিশ্চিত করে ফেলেন মার্কিন ফুটবলারেরা।
দ্বিতীয়ার্ধে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা
করে প্যারাগুয়ে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। প্যারাগুয়ে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের
৭ মিনিটের আত্মঘাতী গোলে। এগিয়ে যাওয়ার পর চাপ আরও বাড়ান স্বাগতিক দলের ফুটবলারেরা।
একের পর এক আক্রমণে কিছুটা দিশেহারা হয়ে পড়ে প্যারাগুয়ের রক্ষণ। তৈরি হয় বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
তেমনই একটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৩১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বালোগান।
তিনিই দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন প্রথমার্ধের শেষে সংযুক্ত সময়ে। নিজের দ্বিতীয়
এবং দলের পক্ষে তৃতীয় গোল করেন।
তিন গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি কিছুটা বাড়ায় প্যারাগুয়ে। প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। যদিও আমেরিকার ফুটবলারেরা আগ্রাসী ফুটবলের পথ থেকে সরেননি। প্যারাগুয়ের রক্ষণকে সারাক্ষণ ব্যস্ত রাখেন তারা। এর মধ্যেই ৭৩ মিনিটে পরিকল্পিত আক্রমণ থেকে প্যারাগুয়ের হয়ে ব্যবধান কমান মরিসিয়ো। গোল খাওয়ার পর আক্রমণে ঝাঁজ আবার বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। তার সুফলও পায় বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১ মিনিট আগে আমেরিকার হয়ে চতুর্থ গোল করে জয় নিশ্চিত করেন জিয়োভান্নি রেয়না।
কানাডা ১, বসনিয়া ১
টরন্টো স্টেডিয়ামে গত শুক্রবার
প্রথম ম্যাচে আয়োজক দেশ কানাডা ১-১ ড্র করলো বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে। তবে গোটা
ম্যাচে কানাডা যা খেলেছে তাতে এই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিল তারাই। সুযোগ নষ্টের
খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। ম্যাচের শুরু থেকে কানাডার দাপট ছিল বেশি। বসনিয়ার তুলনায়
অনেক বেশি আক্রমণ করছিল তারা। কিন্তু সুযোগ নষ্টের পরিমাণও ছিল বেশি। কানাডার আক্রমণ
ভাগে খেলছিলেন জোনাথন ডেভিড। বেশির ভাগ বলই পাস দেয়া হচ্ছিল তাকে উদ্দেশ্য করে। তবে
ডেভিড একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন। বসনিয়ার ডিফেন্ডারদের জটলার সামনে গিয়ে আটকে যাচ্ছিলেন।
কানাডা সেট পিসও কাজে লাগাতে পারছিল না।
২১ মিনিটে খেলার বিপরীতে গোল
দেয় বসনিয়াই। কর্নার থেকে গোলের খুব কাছ থেকে জোভো লুকিচ সহজেই বল জালে জড়িয়ে দেন।
আচমকা গোল খেয়ে কিছুটা হতভম্ব হয়ে যায় কানাডা। ৭৯ মিনিটে অবশেষে সমতা ফেরায় কানাডা।
গোল করেন সাইল লারিন। সতীর্থের সুন্দর ব্যাক ফ্লিক পেয়ে চকিতে ঘুরে গিয়ে গোল করেন তিনি।
এর পরেও বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচ ড্র করে আসার কথাই
ছিল না।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের আয়োজক হিসাবে প্রথম থেকে নানা বিতর্কে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ফুটবলাররা সে সবের দিকে না তাকিয়ে, নিজেদের প্রস্তুতি চালিয়ে গিয়েছেন। তার ফল মিললো বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই। প্যারাগুয়েকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র ।
এ বারের মার্কিন দলটি আগের চেয়ে
অনেক আত্মবিশ্বাসী ও আগ্রাসী। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে রাখতে চেয়েছেন
ফোলারিন বালোগান, ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচেরা। নিজেদের মধ্যে অসংখ্য পাস খেলে আক্রমণে উঠছেন।
একসঙ্গে ৪-৫ জন ফুটবলার সমানে ওঠা নামা করে খেলছেন। মাঠ জুড়ে খেলার চেষ্টা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রর
প্রেসিং ফুটবলের সামনে দাঁড়াতে পারেনি প্যারাগুয়ে। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে
গিয়ে ম্যাচের ফলাফল একরকম নিশ্চিত করে ফেলেন মার্কিন ফুটবলারেরা।
দ্বিতীয়ার্ধে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা
করে প্যারাগুয়ে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। প্যারাগুয়ে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের
৭ মিনিটের আত্মঘাতী গোলে। এগিয়ে যাওয়ার পর চাপ আরও বাড়ান স্বাগতিক দলের ফুটবলারেরা।
একের পর এক আক্রমণে কিছুটা দিশেহারা হয়ে পড়ে প্যারাগুয়ের রক্ষণ। তৈরি হয় বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
তেমনই একটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৩১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বালোগান।
তিনিই দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন প্রথমার্ধের শেষে সংযুক্ত সময়ে। নিজের দ্বিতীয়
এবং দলের পক্ষে তৃতীয় গোল করেন।
তিন গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি কিছুটা বাড়ায় প্যারাগুয়ে। প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। যদিও আমেরিকার ফুটবলারেরা আগ্রাসী ফুটবলের পথ থেকে সরেননি। প্যারাগুয়ের রক্ষণকে সারাক্ষণ ব্যস্ত রাখেন তারা। এর মধ্যেই ৭৩ মিনিটে পরিকল্পিত আক্রমণ থেকে প্যারাগুয়ের হয়ে ব্যবধান কমান মরিসিয়ো। গোল খাওয়ার পর আক্রমণে ঝাঁজ আবার বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। তার সুফলও পায় বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১ মিনিট আগে আমেরিকার হয়ে চতুর্থ গোল করে জয় নিশ্চিত করেন জিয়োভান্নি রেয়না।
কানাডা ১, বসনিয়া ১
টরন্টো স্টেডিয়ামে গত শুক্রবার
প্রথম ম্যাচে আয়োজক দেশ কানাডা ১-১ ড্র করলো বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে। তবে গোটা
ম্যাচে কানাডা যা খেলেছে তাতে এই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিল তারাই। সুযোগ নষ্টের
খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। ম্যাচের শুরু থেকে কানাডার দাপট ছিল বেশি। বসনিয়ার তুলনায়
অনেক বেশি আক্রমণ করছিল তারা। কিন্তু সুযোগ নষ্টের পরিমাণও ছিল বেশি। কানাডার আক্রমণ
ভাগে খেলছিলেন জোনাথন ডেভিড। বেশির ভাগ বলই পাস দেয়া হচ্ছিল তাকে উদ্দেশ্য করে। তবে
ডেভিড একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন। বসনিয়ার ডিফেন্ডারদের জটলার সামনে গিয়ে আটকে যাচ্ছিলেন।
কানাডা সেট পিসও কাজে লাগাতে পারছিল না।
২১ মিনিটে খেলার বিপরীতে গোল
দেয় বসনিয়াই। কর্নার থেকে গোলের খুব কাছ থেকে জোভো লুকিচ সহজেই বল জালে জড়িয়ে দেন।
আচমকা গোল খেয়ে কিছুটা হতভম্ব হয়ে যায় কানাডা। ৭৯ মিনিটে অবশেষে সমতা ফেরায় কানাডা।
গোল করেন সাইল লারিন। সতীর্থের সুন্দর ব্যাক ফ্লিক পেয়ে চকিতে ঘুরে গিয়ে গোল করেন তিনি।
এর পরেও বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচ ড্র করে আসার কথাই
ছিল না।

আপনার মতামত লিখুন