রংপুর মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে বিনা চিকিৎসায় মায়ের মৃত্যুর অভিযোগে কর্তব্যরত ৩ চিকিৎসকের ওপর হামলা করে আহত করার ঘটনায় লাশ দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা ডেড হাউজে আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা।
পরে অভিযুক্ত ছেলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে এনে মায়ের মরদেহ ফেরত দেবার আগে শর্ত অনুযায়ী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে কান ধরে প্রকাশ্য উঠবস করানো হয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় পুরো রংপুর জুড়ে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় মরদেহ জিম্মি করে কান ধরে উঠবস করার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
শনিবার (১৩ জুন) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসাধিন রংপুর নগরীর নিউ জুম্মাপাড়া মহল্লার নুরজাহান বেগম চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেন বলে অভিযোগ স্বজনদের।
এ ঘটনায় মৃত নুরজাহান বেগমের ছেলে রিফাত ক্ষুব্ধ হয়ে কর্তব্যরত ২ চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন। তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ চিকিৎসকদের।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে সকাল থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগ বন্ধ করে দিয়ে পুরো হাসপাতালে ধর্মঘট পালন করেন চিকিৎসকরা। তারা ডেড হাউজের সামনে অবস্থান নিয়ে নুরজাহান বেগমের মরদেহ আটকে রাখেন।
চিকিৎসকদের দাবি অভিযুক্ত রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা চাইতে হবে তাহলেই মরদেহ মিলবে। পরে ১১ ঘণ্টা পর বিকেল ৪ টার দিকে রিফাত হাসপাতালে এলে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে কান ধরে ১০ বার উঠবস করানো হয়।
তবে এ ব্যাপারে কোনো চিকিৎসক কিংবা হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে বিনা চিকিৎসায় মায়ের মৃত্যুর অভিযোগে কর্তব্যরত ৩ চিকিৎসকের ওপর হামলা করে আহত করার ঘটনায় লাশ দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা ডেড হাউজে আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা।
পরে অভিযুক্ত ছেলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে এনে মায়ের মরদেহ ফেরত দেবার আগে শর্ত অনুযায়ী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে কান ধরে প্রকাশ্য উঠবস করানো হয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় পুরো রংপুর জুড়ে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় মরদেহ জিম্মি করে কান ধরে উঠবস করার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
শনিবার (১৩ জুন) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসাধিন রংপুর নগরীর নিউ জুম্মাপাড়া মহল্লার নুরজাহান বেগম চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেন বলে অভিযোগ স্বজনদের।
এ ঘটনায় মৃত নুরজাহান বেগমের ছেলে রিফাত ক্ষুব্ধ হয়ে কর্তব্যরত ২ চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন। তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ চিকিৎসকদের।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে সকাল থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগ বন্ধ করে দিয়ে পুরো হাসপাতালে ধর্মঘট পালন করেন চিকিৎসকরা। তারা ডেড হাউজের সামনে অবস্থান নিয়ে নুরজাহান বেগমের মরদেহ আটকে রাখেন।
চিকিৎসকদের দাবি অভিযুক্ত রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা চাইতে হবে তাহলেই মরদেহ মিলবে। পরে ১১ ঘণ্টা পর বিকেল ৪ টার দিকে রিফাত হাসপাতালে এলে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে কান ধরে ১০ বার উঠবস করানো হয়।
তবে এ ব্যাপারে কোনো চিকিৎসক কিংবা হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন