র্যাঙ্কিং ও বল দখলের লড়াইয়ে অবশ্য স্কটল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে ছিল হাইতি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৮৪ নম্বরে থাকা হাইতি পুরো ম্যাচে ৫৪ শতাংশ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। তারা স্কটল্যান্ডের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে দুটি ছিল অন-টার্গেট। বিপরীতে র্যাঙ্কিংয়ের ৪০ নম্বরে থাকা স্কটল্যান্ড ৯টি শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল।
ম্যাচের প্রথম ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল স্কটল্যান্ড। তবে স্কট ম্যাকটমিনের নেওয়া জোরালো শটটি হাইতির গোলকিপারকে পরাস্ত করলেও শেষ মুহূর্তে গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ২৮তম মিনিটে। ডান প্রান্ত দিয়ে দ্রুত গতিতে হাইতির ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন বেন গ্যানন-ডোক। গোললাইনের কাছাকাছি থেকে তিনি বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থ চে অ্যাডামসের দিকে। অ্যাডামসের নেওয়া প্রথম শটটি হাইতির গোলকিপার জনি প্লাসাইড রুখে দিলেও বলটি পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। সেই ফিরতি বল ধরে জোরালো শট নেন জন ম্যাকগিন। বলটি হাইতির এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি জালে জড়িয়ে যায়। এই একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ে বিরতির পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে হাইতি। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে স্কটিশ রক্ষণভাগে কাঁপন ধরায় তারা। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত আর গোলের দেখা পায়নি হাইতি। ফলে ম্যাকগিনের প্রথমার্ধের সেই গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। হাইতিকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী স্কটল্যান্ড আগামী রবিবার ভোরে তাদের পরবর্তী ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
র্যাঙ্কিং ও বল দখলের লড়াইয়ে অবশ্য স্কটল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে ছিল হাইতি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৮৪ নম্বরে থাকা হাইতি পুরো ম্যাচে ৫৪ শতাংশ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। তারা স্কটল্যান্ডের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে দুটি ছিল অন-টার্গেট। বিপরীতে র্যাঙ্কিংয়ের ৪০ নম্বরে থাকা স্কটল্যান্ড ৯টি শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল।
ম্যাচের প্রথম ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল স্কটল্যান্ড। তবে স্কট ম্যাকটমিনের নেওয়া জোরালো শটটি হাইতির গোলকিপারকে পরাস্ত করলেও শেষ মুহূর্তে গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ২৮তম মিনিটে। ডান প্রান্ত দিয়ে দ্রুত গতিতে হাইতির ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন বেন গ্যানন-ডোক। গোললাইনের কাছাকাছি থেকে তিনি বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থ চে অ্যাডামসের দিকে। অ্যাডামসের নেওয়া প্রথম শটটি হাইতির গোলকিপার জনি প্লাসাইড রুখে দিলেও বলটি পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। সেই ফিরতি বল ধরে জোরালো শট নেন জন ম্যাকগিন। বলটি হাইতির এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি জালে জড়িয়ে যায়। এই একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ে বিরতির পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে হাইতি। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে স্কটিশ রক্ষণভাগে কাঁপন ধরায় তারা। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত আর গোলের দেখা পায়নি হাইতি। ফলে ম্যাকগিনের প্রথমার্ধের সেই গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। হাইতিকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী স্কটল্যান্ড আগামী রবিবার ভোরে তাদের পরবর্তী ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে।

আপনার মতামত লিখুন