রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নে এক ওয়ার্ড যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি ও মারধরের অভিযোগে থানায় পৃথক ৩টি অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই নেতার নাম আজমারুল ইসলাম। তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। পুলিশ বলছে, অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুর এলাকার বাসিন্দা আজমারুল ইসলাম দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। তার বিরুদ্ধে সোলেমান মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, আজমারুল এর আগে তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় আজমারুল ওই ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখান।
একই এলাকার এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী অভিযোগ করেন, আজমারুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করছেন। গত ১২ জুন রাতে ওই যুবদল নেতা তার বাড়িতে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেন। তিনি রাজি না হয়ে চিৎকার করলে আজমারুল পালিয়ে যান। পরে ১৪ জুন বিকেলে আবারও বাড়িতে গিয়ে ওই নারীকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শাসিয়ে আসেন।
এদিকে মেহেদী হাসান নামের এক শ্রমিকের অভিযোগ, আজমারুল এলাকায় তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এর প্রতিবাদে মেহেদী ওই যুবদল নেতার বাবার কাছে নালিশ করায় আজমারুল ক্ষিপ্ত হন। শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় রাস্তায় পথ আটকে মেহেদীকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এসব ঘটনায় তিনটি পৃথক অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজমারুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
/

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নে এক ওয়ার্ড যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি ও মারধরের অভিযোগে থানায় পৃথক ৩টি অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই নেতার নাম আজমারুল ইসলাম। তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। পুলিশ বলছে, অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর ইউনিয়নের সন্তোষপুর এলাকার বাসিন্দা আজমারুল ইসলাম দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। তার বিরুদ্ধে সোলেমান মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, আজমারুল এর আগে তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় আজমারুল ওই ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখান।
একই এলাকার এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী অভিযোগ করেন, আজমারুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করছেন। গত ১২ জুন রাতে ওই যুবদল নেতা তার বাড়িতে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেন। তিনি রাজি না হয়ে চিৎকার করলে আজমারুল পালিয়ে যান। পরে ১৪ জুন বিকেলে আবারও বাড়িতে গিয়ে ওই নারীকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শাসিয়ে আসেন।
এদিকে মেহেদী হাসান নামের এক শ্রমিকের অভিযোগ, আজমারুল এলাকায় তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এর প্রতিবাদে মেহেদী ওই যুবদল নেতার বাবার কাছে নালিশ করায় আজমারুল ক্ষিপ্ত হন। শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় রাস্তায় পথ আটকে মেহেদীকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এসব ঘটনায় তিনটি পৃথক অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজমারুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
/

আপনার মতামত লিখুন