রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন। ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় পর্যালোচনা বৈঠক।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এই বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে ঢাকার সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সড়কে এ পর্যন্ত কতগুলো এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ কবে নাগাদ শেষ হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট খোঁজখবর নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’
যানজট নিরসনে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারই নয় বরং সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতেও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকার রাস্তায় যানজট সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনগুলো দ্রুত সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয় এবং এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে গত ৭ মে থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন পয়েন্টে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। এই বিশেষ ক্যামেরাগুলোতে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ লঙ্ঘন শনাক্ত করার স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে।
গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজধানীর ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ের সিগন্যাল লাইট পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির পিটিজেড ক্যামেরা বসিয়ে কাজ করছে পুলিশ। সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গাড়ি আইন অমান্য করলেই ক্যামেরা তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করছে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটাল মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
সভায় দেশের সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট দূরীকরণে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন। ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় পর্যালোচনা বৈঠক।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এই বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে ঢাকার সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সড়কে এ পর্যন্ত কতগুলো এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ কবে নাগাদ শেষ হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট খোঁজখবর নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’
যানজট নিরসনে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারই নয় বরং সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতেও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকার রাস্তায় যানজট সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনগুলো দ্রুত সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয় এবং এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে গত ৭ মে থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন পয়েন্টে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। এই বিশেষ ক্যামেরাগুলোতে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ লঙ্ঘন শনাক্ত করার স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে।
গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজধানীর ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ের সিগন্যাল লাইট পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির পিটিজেড ক্যামেরা বসিয়ে কাজ করছে পুলিশ। সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গাড়ি আইন অমান্য করলেই ক্যামেরা তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করছে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটাল মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
সভায় দেশের সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট দূরীকরণে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন