বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে রাজশাহী সফর করেছেন। সফরকালে তিনি রাজশাহীর আম শিল্প, কৃষি সম্ভাবনা ও স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সোয়া আটটায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রদূত। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে পুঠিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বর আম হাটে যান। সকাল ৯ টার দিকে তিনি উত্তরের অন্যতম বড় এই আমের বাজার ঘুরে দেখেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখেন এবং আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি ল্যাংড়া, গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাজা আমের স্বাদ গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা তাকে আম উৎপাদন ও রপ্তানির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। আমের মৌসুমে এখানে আসতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি আমেরিকার একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছি। ফলে কোনো পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয়, সেখানে গিয়ে তা দেখা ও স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।’
আম রপ্তানির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। তবে সেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হিমায়িত আম পাওয়া যায়। রাজশাহীর মতো এত তাজা আম সেখানে দুর্লভ। বাংলাদেশের আম বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিতে উন্নত ‘কোল্ড চেইন’ বা হিমাগার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করতে এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বানেশ্বর পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির উদ্দেশে রওনা হন।
/

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে রাজশাহী সফর করেছেন। সফরকালে তিনি রাজশাহীর আম শিল্প, কৃষি সম্ভাবনা ও স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সোয়া আটটায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রদূত। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে পুঠিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বর আম হাটে যান। সকাল ৯ টার দিকে তিনি উত্তরের অন্যতম বড় এই আমের বাজার ঘুরে দেখেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখেন এবং আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি ল্যাংড়া, গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাজা আমের স্বাদ গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা তাকে আম উৎপাদন ও রপ্তানির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। আমের মৌসুমে এখানে আসতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি আমেরিকার একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছি। ফলে কোনো পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয়, সেখানে গিয়ে তা দেখা ও স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।’
আম রপ্তানির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। তবে সেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হিমায়িত আম পাওয়া যায়। রাজশাহীর মতো এত তাজা আম সেখানে দুর্লভ। বাংলাদেশের আম বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিতে উন্নত ‘কোল্ড চেইন’ বা হিমাগার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করতে এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বানেশ্বর পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির উদ্দেশে রওনা হন।
/

আপনার মতামত লিখুন