চাঁদপুরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় সড়কে ছিটকে পড়ে তফুরুন্নেছা মায়া (৬৪) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৮ টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বনবিভাগ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তফুরুন্নেছা ওই এলাকার মৃত বেলাল পাটওয়ারীর স্ত্রী। তার ৪ মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তফুরুন্নেছা প্রতিদিন সকালে ওই সড়কে হাঁটাহাঁটি করতেন। আজ সকালেও তিনি হাঁটতে বের হয়েছিলেন। এ সময় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লাগামী ‘বোগদাদ পরিবহন’–এর একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় ও শরীরে গুরুতর আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর ঘাতক বাসটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
নিহতের মেয়ে শাহীনা আক্তার বলেন, ‘মা প্রতিদিন সকালে এই রাস্তা দিয়ে হাঁটতেন। আজও হাঁটতে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফিরে এলেন না।’
চাঁদপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত জানান, যে বাসটি ধাক্কা দিয়েছে, সেটিকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) বরাবর আবেদন করেছেন স্বজনেরা। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/
/

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
চাঁদপুরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় সড়কে ছিটকে পড়ে তফুরুন্নেছা মায়া (৬৪) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৮ টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বনবিভাগ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তফুরুন্নেছা ওই এলাকার মৃত বেলাল পাটওয়ারীর স্ত্রী। তার ৪ মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তফুরুন্নেছা প্রতিদিন সকালে ওই সড়কে হাঁটাহাঁটি করতেন। আজ সকালেও তিনি হাঁটতে বের হয়েছিলেন। এ সময় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লাগামী ‘বোগদাদ পরিবহন’–এর একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় ও শরীরে গুরুতর আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর ঘাতক বাসটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
নিহতের মেয়ে শাহীনা আক্তার বলেন, ‘মা প্রতিদিন সকালে এই রাস্তা দিয়ে হাঁটতেন। আজও হাঁটতে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফিরে এলেন না।’
চাঁদপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত জানান, যে বাসটি ধাক্কা দিয়েছে, সেটিকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) বরাবর আবেদন করেছেন স্বজনেরা। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/
/

আপনার মতামত লিখুন