সংবাদ

কৃষকের হাতের নাগালে হবে ২ হাজার ছোট হিমাগার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম

কৃষকের হাতের নাগালে হবে ২ হাজার ছোট হিমাগার

  • ফসলের অপচয় শূন্যে নেমে আসবে, প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন
  • ৩ বছরের মধ্যে আদা ও পেঁয়াজ বীজে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ
  • কৃষি বাজেটের ৮০ শতাংশই চলে যাচ্ছে সারের ভর্তুকিতে

দেশের প্রান্তিক চাষিদের উৎপাদিত পচনশীল কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশজুড়ে দুই হাজার ‘মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ বা ক্ষুদ্র হিমাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্পূর্ণ সৌরবিদ্যুৎ চালিত (সোলার পাওয়ার) এই হিমাগারগুলো জেলা বা উপজেলা সদরে নয়, বরং সরাসরি কৃষকের ঘরের কাছে বা মাঠের পাশেই তৈরি করা হবে।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এই তথ্য জানান।

বাংলাদেশ কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থায় প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের জন্য কৃষি খাতে সরকারি ব্যয়ের পুনর্বিন্যাস বিষয়ক বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’স এগ্রিফুড সিস্টেম’ প্রকাশ উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এবং বিশ্বব্যাংক যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে বড় হিমাগার করলে তা কৃষকের খেত থেকে ২৫-৩০ মাইল দূরে পড়ে। এতে যাতায়াত খরচ ও ঝক্কি-ঝামেলার কারণে ক্ষুদ্র কৃষকদের তেমন উপকার হয় না। অনেক সময় সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে মৌসুমে সবজি ও পচনশীল পণ্যের দাম কমে যায়, ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই সমস্যা সমাধানেই কৃষকের দোরগোড়ায় মিনি কোল্ড স্টোরেজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে এই প্রজেক্টের পাইলটিং বা পরীক্ষামূলক কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং এতে দারুণ ফল পাওয়া গেছে। এই ২ হাজার ক্ষুদ্র হিমাগার তৈরি হলে দেশের প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষকের কোনো পরিবহন খরচ লাগবে না এবং ফসলের অপচয় শূন্যে নেমে আসবে।

এই ক্ষুদ্র হিমাগারগুলো পরিচালনার জন্য ১৫ থেকে ২০ জন কৃষকের সমন্বয়ে একটি করে সমবায়ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ও সৌরবিদ্যুৎচালিত হওয়ায় এগুলো সচল রাখতে বাড়তি বিদ্যুৎ খরচের চাপ থাকবে না।

দেশের ৭০ থেকে ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কৃষিকে শক্তিশালী করার ওপর তাগিদ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, জমির স্বল্পতার কারণে চাল বা গম আমদানি করতে হলেও অন্যান্য কৃষিপণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১ থেকে ১.৫ বছরের মধ্যে পেঁয়াজ এবং ৩ বছরের মধ্যে আদা ও পেঁয়াজ বীজে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।

পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও চাহিদার তথ্য মেলানোর জন্য ‘ডাটাবেসভিত্তিক’ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। মাটির অম্লতা আদর্শ মাত্রায় আনার কাজ চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি সফল হলে সারের ব্যবহার ২৭ থেকে ৩০ শতাংশ কমবে এবং সরকারের বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে।’

এছাড়া সেচের ডিজেল ও বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে গভীর ও অগভীর নলকূপগুলোকে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তর করা হচ্ছে, যা সেচ মৌসুম শেষে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ড. মনসুর আহমেদ এবং গবেষণা বিশ্লেষক জোনায়েদ সোহল। তারা উল্লেখ করেন, ২০১০ সালের পর থেকে দেশের কৃষি খাতের উৎপাদনশীলতা ও প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে গেছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে কৃষি বাজেটের সিংহভাগ (প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার) সারের ভর্তুকিতে চলে যাচ্ছে, যা মূলত একটিমাত্র ফসল বা চালের পেছনে ব্যয় হচ্ছে। অথচ দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাস পাল্টাচ্ছে। এখন চালের চেয়ে ফলমূল, শাকসবজি, মাছ ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের চাহিদা বাড়ছে। তাই ঢালাও ভর্তুকি না কমিয়ে, তা আরও কার্যকর, স্মার্ট ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে পুনর্বিন্যাস করা জরুরি। গবেষণা, সেচ ও নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করে বিশ্বব্যাংক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির অবদান অপরিসীম হলেও সম্প্রতি এর উৎপাদনশীলতা থমকে গেছে। মোট কৃষি বাজেটের ৮০ শতাংশই চলে যাচ্ছে সারের ভর্তুকিতে, যা মূলত ধনী কৃষকদের পকেটে যাচ্ছে। ফলে গবেষণা ও সেচ অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো অর্থায়নের অভাবে ভুগছে।’

এই বহুমুখী সংকট মোকাবিলায় স্মার্ট নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল প্র্যাকটিস ডিরেক্টর দিনা উমালি-ডেইনিঞ্জারের সঞ্চালনায় একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান, এফএও বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াওকুন শি, বিআইডিএসের রিসার্চ ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউনুস এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডিরেক্টর উজমা চৌধুরী।

বক্তারা স্বল্প মেয়াদে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘ মেয়াদে কৃষির বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সানেমের কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েট ফাহমিদা ফারজানা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


কৃষকের হাতের নাগালে হবে ২ হাজার ছোট হিমাগার

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

  • ফসলের অপচয় শূন্যে নেমে আসবে, প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন
  • ৩ বছরের মধ্যে আদা ও পেঁয়াজ বীজে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ
  • কৃষি বাজেটের ৮০ শতাংশই চলে যাচ্ছে সারের ভর্তুকিতে

দেশের প্রান্তিক চাষিদের উৎপাদিত পচনশীল কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশজুড়ে দুই হাজার ‘মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ বা ক্ষুদ্র হিমাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্পূর্ণ সৌরবিদ্যুৎ চালিত (সোলার পাওয়ার) এই হিমাগারগুলো জেলা বা উপজেলা সদরে নয়, বরং সরাসরি কৃষকের ঘরের কাছে বা মাঠের পাশেই তৈরি করা হবে।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এই তথ্য জানান।

বাংলাদেশ কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থায় প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের জন্য কৃষি খাতে সরকারি ব্যয়ের পুনর্বিন্যাস বিষয়ক বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’স এগ্রিফুড সিস্টেম’ প্রকাশ উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এবং বিশ্বব্যাংক যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে বড় হিমাগার করলে তা কৃষকের খেত থেকে ২৫-৩০ মাইল দূরে পড়ে। এতে যাতায়াত খরচ ও ঝক্কি-ঝামেলার কারণে ক্ষুদ্র কৃষকদের তেমন উপকার হয় না। অনেক সময় সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে মৌসুমে সবজি ও পচনশীল পণ্যের দাম কমে যায়, ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই সমস্যা সমাধানেই কৃষকের দোরগোড়ায় মিনি কোল্ড স্টোরেজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে এই প্রজেক্টের পাইলটিং বা পরীক্ষামূলক কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং এতে দারুণ ফল পাওয়া গেছে। এই ২ হাজার ক্ষুদ্র হিমাগার তৈরি হলে দেশের প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষকের কোনো পরিবহন খরচ লাগবে না এবং ফসলের অপচয় শূন্যে নেমে আসবে।

এই ক্ষুদ্র হিমাগারগুলো পরিচালনার জন্য ১৫ থেকে ২০ জন কৃষকের সমন্বয়ে একটি করে সমবায়ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ও সৌরবিদ্যুৎচালিত হওয়ায় এগুলো সচল রাখতে বাড়তি বিদ্যুৎ খরচের চাপ থাকবে না।

দেশের ৭০ থেকে ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কৃষিকে শক্তিশালী করার ওপর তাগিদ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, জমির স্বল্পতার কারণে চাল বা গম আমদানি করতে হলেও অন্যান্য কৃষিপণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১ থেকে ১.৫ বছরের মধ্যে পেঁয়াজ এবং ৩ বছরের মধ্যে আদা ও পেঁয়াজ বীজে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।

পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও চাহিদার তথ্য মেলানোর জন্য ‘ডাটাবেসভিত্তিক’ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। মাটির অম্লতা আদর্শ মাত্রায় আনার কাজ চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি সফল হলে সারের ব্যবহার ২৭ থেকে ৩০ শতাংশ কমবে এবং সরকারের বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে।’

এছাড়া সেচের ডিজেল ও বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে গভীর ও অগভীর নলকূপগুলোকে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তর করা হচ্ছে, যা সেচ মৌসুম শেষে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ড. মনসুর আহমেদ এবং গবেষণা বিশ্লেষক জোনায়েদ সোহল। তারা উল্লেখ করেন, ২০১০ সালের পর থেকে দেশের কৃষি খাতের উৎপাদনশীলতা ও প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে গেছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে কৃষি বাজেটের সিংহভাগ (প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার) সারের ভর্তুকিতে চলে যাচ্ছে, যা মূলত একটিমাত্র ফসল বা চালের পেছনে ব্যয় হচ্ছে। অথচ দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাস পাল্টাচ্ছে। এখন চালের চেয়ে ফলমূল, শাকসবজি, মাছ ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের চাহিদা বাড়ছে। তাই ঢালাও ভর্তুকি না কমিয়ে, তা আরও কার্যকর, স্মার্ট ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে পুনর্বিন্যাস করা জরুরি। গবেষণা, সেচ ও নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করে বিশ্বব্যাংক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির অবদান অপরিসীম হলেও সম্প্রতি এর উৎপাদনশীলতা থমকে গেছে। মোট কৃষি বাজেটের ৮০ শতাংশই চলে যাচ্ছে সারের ভর্তুকিতে, যা মূলত ধনী কৃষকদের পকেটে যাচ্ছে। ফলে গবেষণা ও সেচ অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো অর্থায়নের অভাবে ভুগছে।’

এই বহুমুখী সংকট মোকাবিলায় স্মার্ট নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল প্র্যাকটিস ডিরেক্টর দিনা উমালি-ডেইনিঞ্জারের সঞ্চালনায় একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান, এফএও বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াওকুন শি, বিআইডিএসের রিসার্চ ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউনুস এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডিরেক্টর উজমা চৌধুরী।

বক্তারা স্বল্প মেয়াদে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘ মেয়াদে কৃষির বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সানেমের কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েট ফাহমিদা ফারজানা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত