বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর নাম ব্যবহার করে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে।এভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিন প্রতারককে আটক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আটককৃতরা হলেন- খুলনার মো. রাব্বি শেখ (২৪), ফেনীর মো. রিয়াদ হোসেন (৩১) ও ঢাকার মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩১)।
সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) একাধিক দল খুলনা, ফেনী ও ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এ পর্যন্ত চক্রটির কাছ থেকে কমপক্ষে ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি।
ভুক্তভোগীদের মোবাইলে বিআরটিএ’র নামে এসএমএস পাঠানো হতো। তাতে বলা হতো- ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করেছেন, জরিমানা পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিআরটিএ’র অফিশিয়াল সাইটের মতো দেখতে একটি লিংক দেওয়া থাকত।
সেই লিংকে প্রবেশ করলে প্রতারকেরা ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য ও ওটিপি সংগ্রহ করত। এরপর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়ে যেত।
এক ভুক্তভোগীর স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে এভাবে ৩ লাখ টাকা তুলে নেয় চক্রটি। সেখানেই মামলার সূত্রপাত। পরে সিপিসিতে একই ধরনের আরও দুটি অভিযোগ পাওয়া যায়।
সিআইডি জানায়, প্রতারক চক্রটি বিআরটিএ’র অফিশিয়াল সাইটের আদলে একটি ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করেছিল। সরকারি ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিল থাকায় সাধারণ মানুষ সহজেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, প্রতারক চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ধরনের ফিশিং প্রতারণা এড়াতে সিআইডি জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে আসা এসএমএস বা লিংকের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই না করে কোনো তথ্য না দিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে অপরিচিত ও সন্দেহজনক ওয়েবসাইটে ব্যাংক কার্ড, পিন বা ওটিপি শেয়ার না করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর নাম ব্যবহার করে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে।এভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিন প্রতারককে আটক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আটককৃতরা হলেন- খুলনার মো. রাব্বি শেখ (২৪), ফেনীর মো. রিয়াদ হোসেন (৩১) ও ঢাকার মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩১)।
সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) একাধিক দল খুলনা, ফেনী ও ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এ পর্যন্ত চক্রটির কাছ থেকে কমপক্ষে ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি।
ভুক্তভোগীদের মোবাইলে বিআরটিএ’র নামে এসএমএস পাঠানো হতো। তাতে বলা হতো- ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করেছেন, জরিমানা পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিআরটিএ’র অফিশিয়াল সাইটের মতো দেখতে একটি লিংক দেওয়া থাকত।
সেই লিংকে প্রবেশ করলে প্রতারকেরা ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য ও ওটিপি সংগ্রহ করত। এরপর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়ে যেত।
এক ভুক্তভোগীর স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে এভাবে ৩ লাখ টাকা তুলে নেয় চক্রটি। সেখানেই মামলার সূত্রপাত। পরে সিপিসিতে একই ধরনের আরও দুটি অভিযোগ পাওয়া যায়।
সিআইডি জানায়, প্রতারক চক্রটি বিআরটিএ’র অফিশিয়াল সাইটের আদলে একটি ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করেছিল। সরকারি ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিল থাকায় সাধারণ মানুষ সহজেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, প্রতারক চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ধরনের ফিশিং প্রতারণা এড়াতে সিআইডি জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে আসা এসএমএস বা লিংকের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই না করে কোনো তথ্য না দিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে অপরিচিত ও সন্দেহজনক ওয়েবসাইটে ব্যাংক কার্ড, পিন বা ওটিপি শেয়ার না করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

আপনার মতামত লিখুন