সংবাদ

টিএসসিতে রাত জেগে মেসি পাগলদের মিলনমেলা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম

টিএসসিতে রাত জেগে মেসি পাগলদের মিলনমেলা
ছবি: সংগৃহীত

রাত পোহালেই ফুটবল বিশ্বকাপের আরেকটি মহারণ। আর সেই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ভোরের অন্ধকার কাটতেই প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণ।

আলজেরিয়া-আর্জেন্টিনা ম্যাচ দেখতে সকালের আগেই জড়ো হতে থাকেন দুই দলের সমর্থকরা। তবে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকার সমারোহে টিএসসি যেন অন্য রূপ পেয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে খেলা শুরুর আগেই টিএসসি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় উৎসুক সমর্থকদের ভিড়ে। অনেকেই রাত থেকেই অবস্থান করছেন এখানে। কেউ কেউ ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচ দেখে আর ফিরে যাননি- সোজা চলে এসেছেন আর্জেন্টিনার খেলার অপেক্ষায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রেহান রাফি তো রাতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, ফিরবেন না। তিনি বলেন, ‘ফ্রান্স ও সেনেগালের খেলা দেখে আর হলে ফিরিনি। সকাল সাতটায় আর্জেন্টিনার খেলা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আজ আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পাবে এই আশায় বসে আছি।’

লালবাগ থেকে টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা গালিবের চাওয়াও আর্জেন্টিনার জয়। তিনি বলেন, ‘গত আসরের মতো এবারও আর্জেন্টিনা কাপ জিতবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। যেহেতু এটি মেসির শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে, তাই ফুটবলের এই জাদুকরের হাতেই কাপ উঠুক, সেটাই চাই।’

আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা শুধু ছেলেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী কুয়াশা কেয়া বলেন, ‘সারারাত ঘুমাইনি আর্জেন্টিনার খেলা দেখব বলে। অনেক উৎসাহ নিয়ে আমি ও আমার বান্ধবীরা বসে আছি। আর্জেন্টিনা আজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে, এটাই আমার প্রত্যাশা। বিশেষ করে মেসির পায়ে গোল দেখতে পারলে খুব ভালো লাগবে।’

বিশ্বকাপ এলে টিএসসির এই দৃশ্য নতুন নয়। কিন্তু মেসি যখন নামবেন তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে, তখন এই উন্মাদনা যেন আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। রাতভর জেগে, ক্লাস ফেলে, পড়া বাদ দিয়ে- সবাই যেন এক হয়ে গেছেন শুধু একটি গোলের আশায়। মেসির গোল, আর্জেন্টিনার জয়- এ যেন তাদের নিজস্ব প্রাপ্তি।

এখন শুধু অপেক্ষা, কখন ফুটবলের এই জাদুকরের গোলে আর্জেন্টিনার বিজয়ের বার্তায় প্রকম্পিত হবে টিএসসি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


টিএসসিতে রাত জেগে মেসি পাগলদের মিলনমেলা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

রাত পোহালেই ফুটবল বিশ্বকাপের আরেকটি মহারণ। আর সেই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ভোরের অন্ধকার কাটতেই প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণ।

আলজেরিয়া-আর্জেন্টিনা ম্যাচ দেখতে সকালের আগেই জড়ো হতে থাকেন দুই দলের সমর্থকরা। তবে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকার সমারোহে টিএসসি যেন অন্য রূপ পেয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে খেলা শুরুর আগেই টিএসসি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় উৎসুক সমর্থকদের ভিড়ে। অনেকেই রাত থেকেই অবস্থান করছেন এখানে। কেউ কেউ ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচ দেখে আর ফিরে যাননি- সোজা চলে এসেছেন আর্জেন্টিনার খেলার অপেক্ষায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রেহান রাফি তো রাতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, ফিরবেন না। তিনি বলেন, ‘ফ্রান্স ও সেনেগালের খেলা দেখে আর হলে ফিরিনি। সকাল সাতটায় আর্জেন্টিনার খেলা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আজ আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পাবে এই আশায় বসে আছি।’

লালবাগ থেকে টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা গালিবের চাওয়াও আর্জেন্টিনার জয়। তিনি বলেন, ‘গত আসরের মতো এবারও আর্জেন্টিনা কাপ জিতবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। যেহেতু এটি মেসির শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে, তাই ফুটবলের এই জাদুকরের হাতেই কাপ উঠুক, সেটাই চাই।’

আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা শুধু ছেলেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী কুয়াশা কেয়া বলেন, ‘সারারাত ঘুমাইনি আর্জেন্টিনার খেলা দেখব বলে। অনেক উৎসাহ নিয়ে আমি ও আমার বান্ধবীরা বসে আছি। আর্জেন্টিনা আজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে, এটাই আমার প্রত্যাশা। বিশেষ করে মেসির পায়ে গোল দেখতে পারলে খুব ভালো লাগবে।’

বিশ্বকাপ এলে টিএসসির এই দৃশ্য নতুন নয়। কিন্তু মেসি যখন নামবেন তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে, তখন এই উন্মাদনা যেন আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। রাতভর জেগে, ক্লাস ফেলে, পড়া বাদ দিয়ে- সবাই যেন এক হয়ে গেছেন শুধু একটি গোলের আশায়। মেসির গোল, আর্জেন্টিনার জয়- এ যেন তাদের নিজস্ব প্রাপ্তি।

এখন শুধু অপেক্ষা, কখন ফুটবলের এই জাদুকরের গোলে আর্জেন্টিনার বিজয়ের বার্তায় প্রকম্পিত হবে টিএসসি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত