বস্টন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে ফুটবলের মহাযজ্ঞে নিজেদের প্রত্যাবর্তন ম্যাচটি দারুণভাবে স্মরণীয় করে রাখল নরওয়ে। আর্লিং হলান্ডের চোখ ধাঁধানো জোড়া গোলে ইরাককে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের এই দেশটি।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আসার ম্যাচে এর আগে কখনই এক ম্যাচে চার গোল করতে পারেনি নরওয়ে। একই সাথে নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে জোড়া গোলের অনন্য রেকর্ড গড়লেন আর্লিং হলান্ড।
অন্যদিকে ১৯৮৬ সালের পর অর্থাৎ দীর্ঘ ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছিল এশিয়ার দেশ ইরাক, তবে ফেরার উপলক্ষটি মোটেও সুখকর হলো না তাদের জন্য।
ম্যাচের প্রথমার্ধে নরওয়েকে কিছুটা চাপে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ইরাক। কিন্তু প্রথম গোল হজম করার পর তারা আর নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি। পুরো ম্যাচজুড়ে মাত্র ৩৭ শতাংশ সময় বল ছিল ইরাকের নিয়ন্ত্রণে। ম্যাচের সব মিলিয়ে তারা গোলের উদ্দেশ্যে ১১টি শট নিলেও কেবল ১টি শট লক্ষ্য বরাবর রাখতে পারে।
বিপরীতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা নরওয়ে ১২টি শটের মধ্যে ৬টি শট লক্ষ্যে রাখে, যার ৪টিই ইরাকের জাল খুঁজে পায়। ম্যাচের ২৮ মিনিটে ডেভিড মোলার উলফের ডি-বক্সের ভেতরের পাস থেকে ইরাকের ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে পা বাড়িয়ে প্রথম গোলটি করেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড হলান্ড। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা। এটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে তার টানা ১১তম গোল।
তবে নরওয়ের এই উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের ৩৮ মিনিটে দারুণ এক হেডে গোল করে ইরাককে সমতায় ফেরান আয়মান হোসেন।
বিরতির ঠিক আগে ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হোসেনের এক শিশুতোষ ভুলের ফায়দা নিয়ে নরওয়েকে আবারও এগিয়ে নেন হলান্ড। এটি ছিল দেশের হয়ে মাত্র ৫১ ম্যাচে তার ৫৭তম আন্তর্জাতিক গোল। দ্বিতীয়ার্ধে হলান্ডের সামনে হ্যাটট্রিকের একাধিক সুযোগ এলেও তিনি তা কাজে লাগাতে পারেননি।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে নরওয়ের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন লিও অস্টিগার্ড। আর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে হলান্ডের একটি হেডার ফেরাতে গিয়ে দুর্ভাগ্যবশত ইরাকের আয়মান হোসেনের গায়ে লেগে বল নিজেদের জালে জড়ালে ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় নরওয়ের।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
বস্টন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে ফুটবলের মহাযজ্ঞে নিজেদের প্রত্যাবর্তন ম্যাচটি দারুণভাবে স্মরণীয় করে রাখল নরওয়ে। আর্লিং হলান্ডের চোখ ধাঁধানো জোড়া গোলে ইরাককে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের এই দেশটি।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আসার ম্যাচে এর আগে কখনই এক ম্যাচে চার গোল করতে পারেনি নরওয়ে। একই সাথে নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে জোড়া গোলের অনন্য রেকর্ড গড়লেন আর্লিং হলান্ড।
অন্যদিকে ১৯৮৬ সালের পর অর্থাৎ দীর্ঘ ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছিল এশিয়ার দেশ ইরাক, তবে ফেরার উপলক্ষটি মোটেও সুখকর হলো না তাদের জন্য।
ম্যাচের প্রথমার্ধে নরওয়েকে কিছুটা চাপে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ইরাক। কিন্তু প্রথম গোল হজম করার পর তারা আর নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি। পুরো ম্যাচজুড়ে মাত্র ৩৭ শতাংশ সময় বল ছিল ইরাকের নিয়ন্ত্রণে। ম্যাচের সব মিলিয়ে তারা গোলের উদ্দেশ্যে ১১টি শট নিলেও কেবল ১টি শট লক্ষ্য বরাবর রাখতে পারে।
বিপরীতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা নরওয়ে ১২টি শটের মধ্যে ৬টি শট লক্ষ্যে রাখে, যার ৪টিই ইরাকের জাল খুঁজে পায়। ম্যাচের ২৮ মিনিটে ডেভিড মোলার উলফের ডি-বক্সের ভেতরের পাস থেকে ইরাকের ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে পা বাড়িয়ে প্রথম গোলটি করেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড হলান্ড। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা। এটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে তার টানা ১১তম গোল।
তবে নরওয়ের এই উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের ৩৮ মিনিটে দারুণ এক হেডে গোল করে ইরাককে সমতায় ফেরান আয়মান হোসেন।
বিরতির ঠিক আগে ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হোসেনের এক শিশুতোষ ভুলের ফায়দা নিয়ে নরওয়েকে আবারও এগিয়ে নেন হলান্ড। এটি ছিল দেশের হয়ে মাত্র ৫১ ম্যাচে তার ৫৭তম আন্তর্জাতিক গোল। দ্বিতীয়ার্ধে হলান্ডের সামনে হ্যাটট্রিকের একাধিক সুযোগ এলেও তিনি তা কাজে লাগাতে পারেননি।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে নরওয়ের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন লিও অস্টিগার্ড। আর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে হলান্ডের একটি হেডার ফেরাতে গিয়ে দুর্ভাগ্যবশত ইরাকের আয়মান হোসেনের গায়ে লেগে বল নিজেদের জালে জড়ালে ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় নরওয়ের।

আপনার মতামত লিখুন