বর্তমান সরকার দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চায় না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কদ্দুছ কাজল। তিনি জানান, বর্তমানে বিচার ব্যবস্থার ওপর কোনো রাজনৈতিক চাপ বা বলপ্রয়োগের সুযোগ নেই এবং বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবে এটাই সরকারের মূল প্রত্যাশা।
শনিবার (২০
জুন) সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি
এসব কথা বলেন।
দেশের বিদ্যমান
বিচার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, "প্রচলিত ব্যবস্থায়
সব মামলা রাতারাতি নিষ্পত্তি করা সম্ভব না, কারণ দেশে এখনো পর্যাপ্ত বিচারকের অভাব
রয়েছে। তবে সরকার রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার মতো চাঞ্চল্যকর মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তিতে
বিশেষভাবে উদ্যোগ নিয়েছে।" এ সময় তিনি মিডিয়া ট্রায়াল বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে
বিচারের প্রবণতা পরিহার করে আদালতের মাধ্যমেই যেন প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়,
সে বিষয়ে সবাইকে নজর রাখার আহ্বান জানান।
আইনজীবী পেশার
মর্যাদা ও হুলিয়া ধরে রাখার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে রুহুল কদ্দুছ কাজল জানান, সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ‘টিকটক’ বা এই জাতীয় ভিডিও তৈরি করা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে বার কাউন্সিল
থেকে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট
আমিনুল ইসলাম। তিনি ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে বলেন, "ট্রাইব্যুনালে
দাখিল হওয়া একটি অভিযোগও যাতে প্রতিহিংসামূলক কিংবা ভুয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন
কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমরা কেবল ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাড়াহুড়ো করে বিচার শেষ করতে
চাই না।" তবে সামনের দিনগুলোতে মামলার সংখ্যা বাড়ার কারণে দুটি ট্রাইব্যুনালের
বিচার কার্যক্রমে কিছুটা চাপ তৈরি হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে সুপ্রিম
কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত
বিচারের মাধ্যমে সরকার ইতিমধ্যেই তাদের সদিচ্ছা ও সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। যদি এই
মামলাটি দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয়, তবে অন্য মামলাগুলোর বিচার কেন দ্রুত নিষ্পত্তি করা
যাবে না? তিনি দেশের মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ 'এডহক
বিচারক' নিয়োগ করার জন্য সরকারের প্রতি পরামর্শ দেন।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
বর্তমান সরকার দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চায় না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কদ্দুছ কাজল। তিনি জানান, বর্তমানে বিচার ব্যবস্থার ওপর কোনো রাজনৈতিক চাপ বা বলপ্রয়োগের সুযোগ নেই এবং বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবে এটাই সরকারের মূল প্রত্যাশা।
শনিবার (২০
জুন) সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি
এসব কথা বলেন।
দেশের বিদ্যমান
বিচার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, "প্রচলিত ব্যবস্থায়
সব মামলা রাতারাতি নিষ্পত্তি করা সম্ভব না, কারণ দেশে এখনো পর্যাপ্ত বিচারকের অভাব
রয়েছে। তবে সরকার রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার মতো চাঞ্চল্যকর মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তিতে
বিশেষভাবে উদ্যোগ নিয়েছে।" এ সময় তিনি মিডিয়া ট্রায়াল বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে
বিচারের প্রবণতা পরিহার করে আদালতের মাধ্যমেই যেন প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়,
সে বিষয়ে সবাইকে নজর রাখার আহ্বান জানান।
আইনজীবী পেশার
মর্যাদা ও হুলিয়া ধরে রাখার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে রুহুল কদ্দুছ কাজল জানান, সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ‘টিকটক’ বা এই জাতীয় ভিডিও তৈরি করা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে বার কাউন্সিল
থেকে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট
আমিনুল ইসলাম। তিনি ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে বলেন, "ট্রাইব্যুনালে
দাখিল হওয়া একটি অভিযোগও যাতে প্রতিহিংসামূলক কিংবা ভুয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন
কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমরা কেবল ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাড়াহুড়ো করে বিচার শেষ করতে
চাই না।" তবে সামনের দিনগুলোতে মামলার সংখ্যা বাড়ার কারণে দুটি ট্রাইব্যুনালের
বিচার কার্যক্রমে কিছুটা চাপ তৈরি হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে সুপ্রিম
কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত
বিচারের মাধ্যমে সরকার ইতিমধ্যেই তাদের সদিচ্ছা ও সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। যদি এই
মামলাটি দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয়, তবে অন্য মামলাগুলোর বিচার কেন দ্রুত নিষ্পত্তি করা
যাবে না? তিনি দেশের মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ 'এডহক
বিচারক' নিয়োগ করার জন্য সরকারের প্রতি পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন