সংবাদ

সাঘাটায় যমুনার বাঁধে ধস, আতঙ্কে এলাকাবাসী


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

সাঘাটায় যমুনার বাঁধে ধস, আতঙ্কে এলাকাবাসী
গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদীর পাড়ে ধসে যাওয়া সিসি ব্লক বাঁধ। ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকায় যমুনা নদীর তীর রক্ষায় নির্মিত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ বাঁধে ধস নেমেছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পানির সামান্য চাপেই প্রকল্পের ১০ নম্বর সাইডের ব্লকগুলো ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কাজ শেষ হওয়ার আগেই এমন ধসে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদী ভাঙন রোধে কোটি কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পে শুরু থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম মেনে তীরের মাটি ভরাট ও বিন্যস্ত না করেই তড়িঘড়ি করে সিসি ব্লক বসিয়েছিল। ফলে পানির সামান্য চাপেই বাঁধের বিশাল অংশ ধসে গেছে। বর্ষার শুরুতেই বাঁধের এই নাজুক অবস্থায় ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে গোবিন্দপুর ও আশপাশের এলাকার শত শত পরিবার।

স্থানীয় ক্ষুব্ধ কয়েক ব্যক্তি জানান, নদী ভাঙন থেকে বসতভিটা বাঁচাতে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই ধস নামায় এর স্থায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পয়েন্টটিতে এখনো মূল কাজ পুরোপুরি শুরু হয়নি। এ কারণে সাময়িকভাবে সিসি ব্লক ধসে যাচ্ছে। চলতি বছরের শেষ দিকে নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু হলে এ সমস্যা থাকবে না। তবে বর্তমানে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন ঠেকানোর জন্য সেখানে আপদকালীন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নদী পাড়ের মানুষের দাবি, অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং গোবিন্দপুর এলাকা রক্ষায় দ্রুত টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


সাঘাটায় যমুনার বাঁধে ধস, আতঙ্কে এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকায় যমুনা নদীর তীর রক্ষায় নির্মিত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ বাঁধে ধস নেমেছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পানির সামান্য চাপেই প্রকল্পের ১০ নম্বর সাইডের ব্লকগুলো ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কাজ শেষ হওয়ার আগেই এমন ধসে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদী ভাঙন রোধে কোটি কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পে শুরু থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম মেনে তীরের মাটি ভরাট ও বিন্যস্ত না করেই তড়িঘড়ি করে সিসি ব্লক বসিয়েছিল। ফলে পানির সামান্য চাপেই বাঁধের বিশাল অংশ ধসে গেছে। বর্ষার শুরুতেই বাঁধের এই নাজুক অবস্থায় ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে গোবিন্দপুর ও আশপাশের এলাকার শত শত পরিবার।

স্থানীয় ক্ষুব্ধ কয়েক ব্যক্তি জানান, নদী ভাঙন থেকে বসতভিটা বাঁচাতে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই ধস নামায় এর স্থায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পয়েন্টটিতে এখনো মূল কাজ পুরোপুরি শুরু হয়নি। এ কারণে সাময়িকভাবে সিসি ব্লক ধসে যাচ্ছে। চলতি বছরের শেষ দিকে নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু হলে এ সমস্যা থাকবে না। তবে বর্তমানে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন ঠেকানোর জন্য সেখানে আপদকালীন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নদী পাড়ের মানুষের দাবি, অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং গোবিন্দপুর এলাকা রক্ষায় দ্রুত টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত