ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে সন্দেহের জেরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রকিবুল ইসলামকে মারধর করা হয়। রকিবুল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের ছোট ভাই। ওই ঘটনার জেরে আজ সকালে বজলুর রহমানের সমর্থকদের সঙ্গে একই গ্রামের বিএনপি সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহত ২০ জনকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে চেয়ারম্যানের লোকজন। হামলায় আমার ১০ জন সমর্থক আহত হয়েছেন।’
তবে ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান দাবি করেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক মারামারি নয়। পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মারামারি হয়েছে।’
হরিণাকুণ্ডু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। খবর পেয়ে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন