হাইতির বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এ বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা। ১৯৯০ সালের পর প্রথম জয় এসেছে। সব মিলিয়ে আত্মহারা স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা। বোস্টনের পাবগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন তারা। স্কটিশদের পানীয়ের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন পাব মালিকেরা।
ফুটবলারদের পাশে থাকতে বোস্টনে এসেছেন প্রায় ১০ হাজার স্কটিশ । একে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে দেশ। তার ওপর ৩৬ বছর পর জয়। উচ্ছ্বাস বাঁধ মানছে না। জাতীয় পতাকা নিয়ে গোটা বোস্টন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। বোস্টনের একটি জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বলেছেন, ‘৩০ বছরের বেশি ব্যবসা করছি। এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি। এক সপ্তাহের মজুত চার দিনেই প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রয়টার্স জানাচ্ছে, স্কটিশেরা সাধারণত পাবগুলিতে ভিড় করছেন। বোস্টনের গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তাদের পছন্দ বিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই বোস্টনে বিয়ারের চাহিদা তুঙ্গে। পাবগুলিতে মজুত বিয়ার নেই বললেই চলে। চাহিদা দেখে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিয়ার সরবরাহের অনুরোধ করেছেন পাব মালিকেরা। চাহিদা এতটাই বেড়েছে বোতলের পাশাপাশি প্রচুর ক্যানের বরাত দেয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের সুবাদে হঠাৎ ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধিতে খুশি পাব মালিকেরা।
বোস্টনের মেয়র মিশেল উ বলেছেন, ‘আমরা নিজেদের বিশ্বের অন্যতম আবেগপ্রবণ এবং উন্মাদ ক্রীড়াপ্রেমী বলে বিবেচনা করি। তাই এই পর্যায়ের দায়বদ্ধতা এবং নিষ্ঠা দেখে আমাদের মনে শ্রদ্ধার অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। স্কটিশ সমর্থকেরা সত্যিই সেরা। তারা অত্যন্ত আন্তরিক। আমাদের ব্যবসায় লাভ হচ্ছে। এখানকার মানুষদের সঙ্গে ওঁরা মেশার চেষ্টা করছেন। বোস্টনকে নিজেদের দ্বিতীয় বাড়ির মতো আপন করে নিয়েছেন স্কটিশেরা।’

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
হাইতির বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এ বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা। ১৯৯০ সালের পর প্রথম জয় এসেছে। সব মিলিয়ে আত্মহারা স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা। বোস্টনের পাবগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন তারা। স্কটিশদের পানীয়ের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন পাব মালিকেরা।
ফুটবলারদের পাশে থাকতে বোস্টনে এসেছেন প্রায় ১০ হাজার স্কটিশ । একে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে দেশ। তার ওপর ৩৬ বছর পর জয়। উচ্ছ্বাস বাঁধ মানছে না। জাতীয় পতাকা নিয়ে গোটা বোস্টন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। বোস্টনের একটি জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বলেছেন, ‘৩০ বছরের বেশি ব্যবসা করছি। এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি। এক সপ্তাহের মজুত চার দিনেই প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রয়টার্স জানাচ্ছে, স্কটিশেরা সাধারণত পাবগুলিতে ভিড় করছেন। বোস্টনের গরমে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তাদের পছন্দ বিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই বোস্টনে বিয়ারের চাহিদা তুঙ্গে। পাবগুলিতে মজুত বিয়ার নেই বললেই চলে। চাহিদা দেখে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিয়ার সরবরাহের অনুরোধ করেছেন পাব মালিকেরা। চাহিদা এতটাই বেড়েছে বোতলের পাশাপাশি প্রচুর ক্যানের বরাত দেয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের সুবাদে হঠাৎ ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধিতে খুশি পাব মালিকেরা।
বোস্টনের মেয়র মিশেল উ বলেছেন, ‘আমরা নিজেদের বিশ্বের অন্যতম আবেগপ্রবণ এবং উন্মাদ ক্রীড়াপ্রেমী বলে বিবেচনা করি। তাই এই পর্যায়ের দায়বদ্ধতা এবং নিষ্ঠা দেখে আমাদের মনে শ্রদ্ধার অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। স্কটিশ সমর্থকেরা সত্যিই সেরা। তারা অত্যন্ত আন্তরিক। আমাদের ব্যবসায় লাভ হচ্ছে। এখানকার মানুষদের সঙ্গে ওঁরা মেশার চেষ্টা করছেন। বোস্টনকে নিজেদের দ্বিতীয় বাড়ির মতো আপন করে নিয়েছেন স্কটিশেরা।’

আপনার মতামত লিখুন