ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রায় ৩১ শতাংশ জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। উদ্ধার করা এই সরকারি জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার তেতুলতলা এলাকায় ২ ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম।
সওজ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪২ নম্বর গঙ্গাবর্দী মৌজার সওজের অধিগ্রহণ করা জমিতে মাটি ভরাট করে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন স্থানীয় শলাকুন্ড গ্রামের হামজা নামের এক ব্যক্তি। এর আগে সওজ ও উপজেলা প্রশাসন তাকে একাধিকবার কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তিনি তা অমান্য করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। রোববার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি জব্দ করা ইট ও বালু ঘটনাস্থলেই প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানকালে ফরিদপুর সড়ক উপবিভাগ-১-এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ তানজিমসহ সওজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।
/

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রায় ৩১ শতাংশ জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। উদ্ধার করা এই সরকারি জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার তেতুলতলা এলাকায় ২ ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম।
সওজ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪২ নম্বর গঙ্গাবর্দী মৌজার সওজের অধিগ্রহণ করা জমিতে মাটি ভরাট করে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন স্থানীয় শলাকুন্ড গ্রামের হামজা নামের এক ব্যক্তি। এর আগে সওজ ও উপজেলা প্রশাসন তাকে একাধিকবার কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তিনি তা অমান্য করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। রোববার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি জব্দ করা ইট ও বালু ঘটনাস্থলেই প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানকালে ফরিদপুর সড়ক উপবিভাগ-১-এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ তানজিমসহ সওজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।
/

আপনার মতামত লিখুন