সংবাদ

তিস্তা ব্রীজ রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, রংপুর
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, রংপুর
প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:২২ পিএম

তিস্তা ব্রীজ রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন
পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভাঙনের তীব্রতা। ছবি : সংবাদ

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় নদী রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে হুমকিতে পড়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মহিপুর এলাকার তিস্তা ব্রিজ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাঁধের প্রায় ৪০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, তিস্তা ব্রিজের মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে শংকরদহ গ্রাম সংলগ্ন প্রতিরক্ষা বাঁধে এই ভাঙন শুরু হয়েছে। গত বছরও এই এলাকায় প্রায় ১০০ ফুট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বছর এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে নামমাত্র প্রতিরক্ষা কাজ করায় এবারও একই স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ গ্রামের বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গত বছরই এখানে জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কারের দরকার ছিল। তা না করে শুধু বাঁশ দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। ফলে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবার ভাঙন শুরু হয়েছে।’

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাদি জানান, গত কয়েক দিনে প্রায় ৭০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে। দ্রুত বালুর বস্তা বা জিও ব্যাগ না ফেললে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে মূল সেতুটি ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোল রুম জানায়, রোববার বিকেল ৩টায় ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, পানি এখনো বিপদসীমার নিচে রয়েছে। ব্রিজ রক্ষা বাঁধের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২১ জুন ২০২৬


তিস্তা ব্রীজ রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় নদী রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে হুমকিতে পড়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মহিপুর এলাকার তিস্তা ব্রিজ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাঁধের প্রায় ৪০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, তিস্তা ব্রিজের মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে শংকরদহ গ্রাম সংলগ্ন প্রতিরক্ষা বাঁধে এই ভাঙন শুরু হয়েছে। গত বছরও এই এলাকায় প্রায় ১০০ ফুট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বছর এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে নামমাত্র প্রতিরক্ষা কাজ করায় এবারও একই স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ গ্রামের বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গত বছরই এখানে জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কারের দরকার ছিল। তা না করে শুধু বাঁশ দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। ফলে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবার ভাঙন শুরু হয়েছে।’

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাদি জানান, গত কয়েক দিনে প্রায় ৭০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে। দ্রুত বালুর বস্তা বা জিও ব্যাগ না ফেললে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে মূল সেতুটি ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোল রুম জানায়, রোববার বিকেল ৩টায় ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, পানি এখনো বিপদসীমার নিচে রয়েছে। ব্রিজ রক্ষা বাঁধের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত