কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে কঠোর নজরদারি ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কোথাও আওয়ামী লীগের ব্যানারে কোনো সভা, সমাবেশ, মিছিল কিংবা কেক কাটার খবর পাওয়া যায়নি। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম নির্বিঘ্নে পালন করছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালগঞ্জসহ দেশের ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনানীবাস থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছায়।
সরকারিভাবে সেনা সদস্যের সঠিক সংখ্যা জানানো না হলেও, অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে প্রায় ২০০ সেনাসদস্য বর্তমানে গোপালগঞ্জে অবস্থান করছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তাদের সড়কে টহল দিতে না দেখা গেলেও তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাবাহিনী জেলায় অবস্থান করবে।
জেলা শহরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাদাপোষাকে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। শহরের প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং বিভিন্ন মহল্লায় টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংস কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে।
মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের কর্মসূচি বা উপস্থিতির খবর না পাওয়া গেলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বেশ সক্রিয় দেখা গেছে। দলের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনেকেই বিভিন্ন স্লোগান, ছবি, ব্যানার ও ফটোকার্ড পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করে দাবি করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মতপ্রকাশের অধিকার দমিয়ে রাখা যাবে না।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান জানান: "জেলার সার্বিক পরিবেশ শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি পালনের তথ্য আমাদের কাছে আসেনি। তবে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাবাহিনী গোপালগঞ্জে অবস্থান করবে এবং জেলাজুড়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত থাকবে।"
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন: "জেলায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। শহরের প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং বিভিন্ন মহল্লায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা চাই, জেলার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক এবং কোনো ধরনের মিটিং-মিছিল বা সহিংস ঘটনার সুযোগ সৃষ্টি না হোক।"

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে কঠোর নজরদারি ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কোথাও আওয়ামী লীগের ব্যানারে কোনো সভা, সমাবেশ, মিছিল কিংবা কেক কাটার খবর পাওয়া যায়নি। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম নির্বিঘ্নে পালন করছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালগঞ্জসহ দেশের ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনানীবাস থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছায়।
সরকারিভাবে সেনা সদস্যের সঠিক সংখ্যা জানানো না হলেও, অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে প্রায় ২০০ সেনাসদস্য বর্তমানে গোপালগঞ্জে অবস্থান করছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তাদের সড়কে টহল দিতে না দেখা গেলেও তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাবাহিনী জেলায় অবস্থান করবে।
জেলা শহরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাদাপোষাকে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। শহরের প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং বিভিন্ন মহল্লায় টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংস কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে।
মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের কর্মসূচি বা উপস্থিতির খবর না পাওয়া গেলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বেশ সক্রিয় দেখা গেছে। দলের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনেকেই বিভিন্ন স্লোগান, ছবি, ব্যানার ও ফটোকার্ড পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করে দাবি করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মতপ্রকাশের অধিকার দমিয়ে রাখা যাবে না।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান জানান: "জেলার সার্বিক পরিবেশ শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি পালনের তথ্য আমাদের কাছে আসেনি। তবে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাবাহিনী গোপালগঞ্জে অবস্থান করবে এবং জেলাজুড়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত থাকবে।"
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন: "জেলায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। শহরের প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং বিভিন্ন মহল্লায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা চাই, জেলার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক এবং কোনো ধরনের মিটিং-মিছিল বা সহিংস ঘটনার সুযোগ সৃষ্টি না হোক।"

আপনার মতামত লিখুন