সংবাদ

ভোজ্যতেল আমদানিনির্ভরতা কমানোর এখনই সময়


আবুল বাশার মিরাজ
আবুল বাশার মিরাজ
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ এএম

ভোজ্যতেল আমদানিনির্ভরতা কমানোর এখনই সময়
ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সাফল্য অর্জন করলেও ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও উদ্বেগজনকভাবে আমদানিনির্ভর

ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সাফল্য অর্জন করলেও ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও উদ্বেগজনকভাবে আমদানিনির্ভর। খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রে দেশের অর্জন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়, কিন্তু ভোজ্যতেল খাতের চিত্র ভিন্ন বাস্তবতার কথা বলে। প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তার এই সময়ে এমন উচ্চমাত্রার আমদানিনির্ভরতা শুধু অর্থনৈতিক ঝুঁকিই নয় বরং এটি জাতীয় খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্যও একটি কৌশলগত দুর্বলতা। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা এবং পাম অয়েলে ২২ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ব্যয়ের প্রায় ৫৯ শতাংশই গেছে সয়াবিন তেলের পেছনে। এর আগের অর্থবছরের তুলনায় চিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় পাম অয়েল আমদানিতে ব্যয় প্রায় ৩১ শতাংশ কমলেও সয়াবিন তেল আমদানির ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১৫০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি এ প্রবণতার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সয়াবিন তেল আমদানিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ১৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে পাম অয়েল আমদানিতে সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে, প্রায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েই ভোজ্যতেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৯১২ কোটি টাকা, যার ৭৮ শতাংশই পাম অয়েলের জন্য। প্রশ্ন হচ্ছে, এত বিপুল অর্থ ব্যয় সত্ত্বেও কেন আমরা এখনও দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে পারছি না? সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে। ধান উৎপাদনে দীর্ঘদিন ধরে যে ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তেলবীজ খাত সে ধরনের গুরুত্ব পায়নি। ফলে সরিষা, সূর্যমুখী, সয়াবিন ও তিলের মতো ফসল এখনও অনেক ক্ষেত্রে প্রান্তিক জমিতেই সীমাবদ্ধ। 

অথচ দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে আশাব্যঞ্জক সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল তেলবীজের জাত উদ্ভাবন করেছে। বারি সরিষা-১৪, ১৫ ও ১৭-এর মতো স্বল্পমেয়াদি জাত ধানভিত্তিক ফসল বিন্যাসে সফলভাবে চাষ করা সম্ভব, যা খাদ্যশস্য উৎপাদন কমানো ছাড়াই তেলবীজ উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশে কৃষিজমি সম্প্রসারণের সুযোগ সীমিত। তাই একই জমি থেকে বেশি উৎপাদন নিশ্চিত করাই ভবিষ্যতের পথ। উন্নত জাত, মানসম্মত বীজ, যান্ত্রিকীকরণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে তেলবীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব। উপকূলীয় অঞ্চলও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভোলা, নোয়াখালী ও পটুয়াখালীর মতো জেলায় লবণাক্ততা সহনশীল সূর্যমুখীর চাষ ইতোমধ্যে আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে। একইভাবে দক্ষিণাঞ্চলে উন্নত সয়াবিন ও তিলের জাত কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করছে। তবে গবেষণাগারের সাফল্য মাঠে পৌঁছানো না গেলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। বর্তমানে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো মানসম্পন্ন বীজের সংকট। অনেক কৃষক এখনও নিজস্ব সংরক্ষিত নিম্নমানের বীজ ব্যবহার করেন, যা উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয়। তাই বিএডিসির বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে তেলবীজ খাতকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, যন্ত্রপাতি, ভর্তুকি এবং বাজার সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাত শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব, চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ, স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র এবং স্বচ্ছ ক্রয়ব্যবস্থা কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় সরিষার তেলসহ স্থানীয় ভোজ্যতেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। বাংলাদেশ অতীতে বহু কৃষি চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করেছে। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, কার্যকর নীতি এবং কৃষকের পরিশ্রমের সমš^য়ে খাদ্য উৎপাদনে যে সাফল্য এসেছে, তেলবীজ খাতেও তা সম্ভব। ভোজ্যতেল আমদানিনির্ভরতা কমানো শুধু বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের বিষয় নয়; এটি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

[লেখক: সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার, সার্ক কৃষি কেন্দ্র]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


ভোজ্যতেল আমদানিনির্ভরতা কমানোর এখনই সময়

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সাফল্য অর্জন করলেও ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও উদ্বেগজনকভাবে আমদানিনির্ভর। খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রে দেশের অর্জন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়, কিন্তু ভোজ্যতেল খাতের চিত্র ভিন্ন বাস্তবতার কথা বলে। প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তার এই সময়ে এমন উচ্চমাত্রার আমদানিনির্ভরতা শুধু অর্থনৈতিক ঝুঁকিই নয় বরং এটি জাতীয় খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্যও একটি কৌশলগত দুর্বলতা। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা এবং পাম অয়েলে ২২ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ব্যয়ের প্রায় ৫৯ শতাংশই গেছে সয়াবিন তেলের পেছনে। এর আগের অর্থবছরের তুলনায় চিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় পাম অয়েল আমদানিতে ব্যয় প্রায় ৩১ শতাংশ কমলেও সয়াবিন তেল আমদানির ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১৫০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি এ প্রবণতার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সয়াবিন তেল আমদানিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ১৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে পাম অয়েল আমদানিতে সর্বোচ্চ ব্যয় হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে, প্রায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েই ভোজ্যতেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৯১২ কোটি টাকা, যার ৭৮ শতাংশই পাম অয়েলের জন্য। প্রশ্ন হচ্ছে, এত বিপুল অর্থ ব্যয় সত্ত্বেও কেন আমরা এখনও দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে পারছি না? সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে। ধান উৎপাদনে দীর্ঘদিন ধরে যে ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তেলবীজ খাত সে ধরনের গুরুত্ব পায়নি। ফলে সরিষা, সূর্যমুখী, সয়াবিন ও তিলের মতো ফসল এখনও অনেক ক্ষেত্রে প্রান্তিক জমিতেই সীমাবদ্ধ। 

অথচ দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে আশাব্যঞ্জক সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল তেলবীজের জাত উদ্ভাবন করেছে। বারি সরিষা-১৪, ১৫ ও ১৭-এর মতো স্বল্পমেয়াদি জাত ধানভিত্তিক ফসল বিন্যাসে সফলভাবে চাষ করা সম্ভব, যা খাদ্যশস্য উৎপাদন কমানো ছাড়াই তেলবীজ উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশে কৃষিজমি সম্প্রসারণের সুযোগ সীমিত। তাই একই জমি থেকে বেশি উৎপাদন নিশ্চিত করাই ভবিষ্যতের পথ। উন্নত জাত, মানসম্মত বীজ, যান্ত্রিকীকরণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে তেলবীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব। উপকূলীয় অঞ্চলও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভোলা, নোয়াখালী ও পটুয়াখালীর মতো জেলায় লবণাক্ততা সহনশীল সূর্যমুখীর চাষ ইতোমধ্যে আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে। একইভাবে দক্ষিণাঞ্চলে উন্নত সয়াবিন ও তিলের জাত কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করছে। তবে গবেষণাগারের সাফল্য মাঠে পৌঁছানো না গেলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। বর্তমানে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো মানসম্পন্ন বীজের সংকট। অনেক কৃষক এখনও নিজস্ব সংরক্ষিত নিম্নমানের বীজ ব্যবহার করেন, যা উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয়। তাই বিএডিসির বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে তেলবীজ খাতকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, যন্ত্রপাতি, ভর্তুকি এবং বাজার সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাত শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব, চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ, স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র এবং স্বচ্ছ ক্রয়ব্যবস্থা কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় সরিষার তেলসহ স্থানীয় ভোজ্যতেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। বাংলাদেশ অতীতে বহু কৃষি চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করেছে। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, কার্যকর নীতি এবং কৃষকের পরিশ্রমের সমš^য়ে খাদ্য উৎপাদনে যে সাফল্য এসেছে, তেলবীজ খাতেও তা সম্ভব। ভোজ্যতেল আমদানিনির্ভরতা কমানো শুধু বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের বিষয় নয়; এটি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

[লেখক: সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার, সার্ক কৃষি কেন্দ্র]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত