আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বরিশালে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্ভাব্য নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও মোড়গুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। একই সময়ে রাজপথে শক্ত অবস্থানের জানান দিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পুলিশের কড়া পাহারা। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি পুলিশের একাধিক ভ্রাম্যমাণ দল (মোবাইল টিম) নগরজুড়ে টহল দিচ্ছে।
বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, থানার আওতাধীন পাঁচটি পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রায় ২০টি মোবাইল টিম মাঠে কাজ করছে। তিনি বলেন, “শহরকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে আমরা প্রস্তুত। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, কেবল তাদেরই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতারাও রয়েছেন।
এদিকে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে বিএনপি। সকালে নগরীর সদর রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং বিভিন্ন সড়কে দলটির নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল মহড়া দিতে দেখা যায়। দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে তারা রাজপথে সজাগ রয়েছেন। পরে মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকেও নগরীতে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এর আগে সোমবার রাত থেকেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে মোটরসাইকেল নিয়ে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা এবং বিএনপির তৎপরতার কারণে মঙ্গলবার দিনভর বরিশাল নগরজুড়ে ছিল বাড়তি সতর্কতা ও টানটান উত্তেজনা।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বরিশালে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্ভাব্য নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও মোড়গুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। একই সময়ে রাজপথে শক্ত অবস্থানের জানান দিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পুলিশের কড়া পাহারা। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি পুলিশের একাধিক ভ্রাম্যমাণ দল (মোবাইল টিম) নগরজুড়ে টহল দিচ্ছে।
বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, থানার আওতাধীন পাঁচটি পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রায় ২০টি মোবাইল টিম মাঠে কাজ করছে। তিনি বলেন, “শহরকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে আমরা প্রস্তুত। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, কেবল তাদেরই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতারাও রয়েছেন।
এদিকে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে বিএনপি। সকালে নগরীর সদর রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং বিভিন্ন সড়কে দলটির নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল মহড়া দিতে দেখা যায়। দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে তারা রাজপথে সজাগ রয়েছেন। পরে মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকেও নগরীতে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এর আগে সোমবার রাত থেকেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে মোটরসাইকেল নিয়ে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা এবং বিএনপির তৎপরতার কারণে মঙ্গলবার দিনভর বরিশাল নগরজুড়ে ছিল বাড়তি সতর্কতা ও টানটান উত্তেজনা।

আপনার মতামত লিখুন