হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ও কাপাই চা বাগানের সংযোগ সেতুটি পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়েছে। এতে দুই বাগানের শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৮ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উৎপাদিত চা পাতা পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাগানের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২১ জুন) রাতে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সেতুটির দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়কসহ মাঝের অংশ ধসে যায়। প্রায় ১৫ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি নির্মাণ করেছিল। কয়েক বছর আগে ঢলের আঘাতে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কাপাই চা বাগানের বাসিন্দারা জানান, এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ শিক্ষার্থী লস্করপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। এখন সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের স্কুল যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া কাপাই বাগানের চা পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য লস্করপুর কারখানায় নিতে হয়। বর্তমানে কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে চা পাতা পরিবহন করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।
পাইকপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদ আলী বলেন, দুই বাগানের প্রায় ২ হাজার শ্রমিক পরিবারের ৮ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ঢলের পানি নামার ছড়াটি বড় হয়ে যাওয়ায় সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
লস্করপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মো. সাজ্জাদুল হক বলেন, সেতুর মাঝের পিলারও ভেঙে পড়েছে। এটি আর মেরামতযোগ্য নয়। এখানে নতুন সেতু নির্মাণ ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।
চুনারুঘাট উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য দ্রুত সদর দপ্তরে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে।
/

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ও কাপাই চা বাগানের সংযোগ সেতুটি পাহাড়ি ঢলে ধসে পড়েছে। এতে দুই বাগানের শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৮ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উৎপাদিত চা পাতা পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাগানের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২১ জুন) রাতে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সেতুটির দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়কসহ মাঝের অংশ ধসে যায়। প্রায় ১৫ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি নির্মাণ করেছিল। কয়েক বছর আগে ঢলের আঘাতে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কাপাই চা বাগানের বাসিন্দারা জানান, এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ শিক্ষার্থী লস্করপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। এখন সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের স্কুল যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া কাপাই বাগানের চা পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য লস্করপুর কারখানায় নিতে হয়। বর্তমানে কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে চা পাতা পরিবহন করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।
পাইকপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদ আলী বলেন, দুই বাগানের প্রায় ২ হাজার শ্রমিক পরিবারের ৮ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ঢলের পানি নামার ছড়াটি বড় হয়ে যাওয়ায় সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
লস্করপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মো. সাজ্জাদুল হক বলেন, সেতুর মাঝের পিলারও ভেঙে পড়েছে। এটি আর মেরামতযোগ্য নয়। এখানে নতুন সেতু নির্মাণ ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।
চুনারুঘাট উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য দ্রুত সদর দপ্তরে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন