প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিং। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতে লিউ হাইক্সিং, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এ সময় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৯ বার চীন সফর করেছিলেন। তার প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০০১ সালের সফরের ছবি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
সিপিসি ও বিএনপির মধ্যে অতীতে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (MOU) সূত্র ধরে লিউ হাইক্সিং দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
"চীন সবসময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের এই সম্পর্ক আগামীতেও আরও এগিয়ে যাবে।"
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং 'চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল' নির্মাণে চীনের সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্বপূর্ণ লিগ্যাসি রয়েছে, তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করবে।
দ্বিপাক্ষিক এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদি আমিন ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
অন্যদিকে চীনের পক্ষে দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিং। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতে লিউ হাইক্সিং, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এ সময় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৯ বার চীন সফর করেছিলেন। তার প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০০১ সালের সফরের ছবি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
সিপিসি ও বিএনপির মধ্যে অতীতে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (MOU) সূত্র ধরে লিউ হাইক্সিং দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
"চীন সবসময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের এই সম্পর্ক আগামীতেও আরও এগিয়ে যাবে।"
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং 'চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল' নির্মাণে চীনের সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্বপূর্ণ লিগ্যাসি রয়েছে, তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করবে।
দ্বিপাক্ষিক এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদি আমিন ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
অন্যদিকে চীনের পক্ষে দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন