টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে আমতলা গোদুর মোড় থেকে ধনবাড়ী যাতায়াতের প্রধান সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রায় ১.২৫ কিলোমিটার এই সড়কে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান পানি জমে কাদা তৈরি হয়। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এলাকাবাসীকে কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সড়কটি এলাকার মানুষের ধনবাড়ী যাতায়াতের প্রধান পথ। দীর্ঘদিন ধরে এটি ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, কোনো ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কর্দমাক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়। আধুনিক সময়ে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এই সমস্যার প্রভাব শিক্ষাক্ষেত্রেও পড়ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে কষ্ট হওয়ায় উপস্থিতি কমে যাচ্ছে বলে শিক্ষকেরা জানিয়েছেন। কৃষকরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। কৃষিপ্রধান এলাকায় উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে নিতে না পারলে ন্যায্য মূল্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা সরাসরি স্থানীয় অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
গ্রামীণ সড়ক কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম ভিত্তি। তাই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বছরের পর বছর কাঁচা অবস্থায় পড়ে থাকবে সেটা মেনে নেয়া যায় না। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়কটি পাকাকরণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন। এটা ইতিবাচক। তবে সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন দ্রুত অনুমোদন ও কার্যকর বাস্তবায়ন।
আমরা বলতে চাই, ধনবাড়ীর এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকা করা প্রয়োজন। কর্তৃপক্ষ যদি প্রস্তাব অনুমোদন ও বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আমরা মনে করি।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে আমতলা গোদুর মোড় থেকে ধনবাড়ী যাতায়াতের প্রধান সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রায় ১.২৫ কিলোমিটার এই সড়কে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান পানি জমে কাদা তৈরি হয়। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এলাকাবাসীকে কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সড়কটি এলাকার মানুষের ধনবাড়ী যাতায়াতের প্রধান পথ। দীর্ঘদিন ধরে এটি ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, কোনো ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে কাঁধে করে কর্দমাক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়। আধুনিক সময়ে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এই সমস্যার প্রভাব শিক্ষাক্ষেত্রেও পড়ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে কষ্ট হওয়ায় উপস্থিতি কমে যাচ্ছে বলে শিক্ষকেরা জানিয়েছেন। কৃষকরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। কৃষিপ্রধান এলাকায় উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে নিতে না পারলে ন্যায্য মূল্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা সরাসরি স্থানীয় অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
গ্রামীণ সড়ক কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম ভিত্তি। তাই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বছরের পর বছর কাঁচা অবস্থায় পড়ে থাকবে সেটা মেনে নেয়া যায় না। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়কটি পাকাকরণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন। এটা ইতিবাচক। তবে সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন দ্রুত অনুমোদন ও কার্যকর বাস্তবায়ন।
আমরা বলতে চাই, ধনবাড়ীর এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকা করা প্রয়োজন। কর্তৃপক্ষ যদি প্রস্তাব অনুমোদন ও বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আমরা মনে করি।

আপনার মতামত লিখুন