ঢাকার অভ্যন্তরীণ খালগুলো খনন ও দখলমুক্ত করার কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। দুই সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৫৬টি খালকে কেন্দ্র করে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে রাজধানীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে, খালগুলোতে পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা যাবে।
রাজধানী ঢাকার অন্যতম বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। প্রতি বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জনজীবন ব্যাহত হয়। খাল ভরাট, দখল এবং পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া এর বড় কারণ। তাই ঢাকার খালগুলো উদ্ধার, খনন ও পরিষ্কার করার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
একসময় ঢাকার খালগুলো নগরীর প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। নদী ও জলাশয়ের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় রাখত এসব খাল। অবৈধ দখল, ভরাট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক খাল তাদের অস্তিত্ব হারিয়েছে। কোথাও খাল সরু হয়ে গেছে, কোথাও বর্জ্যে ভরে গেছে। আবার কোথাও খালের চিহ্নই খুঁজে পাওয়া কঠিন।
খাল উদ্ধার, দখলমুক্তকরণ এবং পরিষ্কার করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। খালের সীমানা নির্ধারণ, গাইড ওয়াল নির্মাণ এবং ভবিষ্যৎ দখল ঠেকানোর পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলে, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার টেকসই সমাধান হয় না। দখলমুক্ত বা উদ্ধার করার পর খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাও জরুরি। না হলে খালগুলো আবারও দখল-ভরাট-দূষণের শিকার হতে পারে।
দখলমুক্তকরণ কার্যক্রমে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। খাল দখলের সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ বহুবার উঠে এসেছে। খালের সঙ্গে যুক্ত অবৈধ স্থাপনা, বর্জ্য ফেলা এবং অপরিকল্পিত নির্মাণকাজের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে হবে। আর এজন্য দরকার নগরবাসীর সচেতন অংশগ্রহণ।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ঢাকার অভ্যন্তরীণ খালগুলো খনন ও দখলমুক্ত করার কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। দুই সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৫৬টি খালকে কেন্দ্র করে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে রাজধানীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে, খালগুলোতে পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা যাবে।
রাজধানী ঢাকার অন্যতম বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। প্রতি বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জনজীবন ব্যাহত হয়। খাল ভরাট, দখল এবং পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া এর বড় কারণ। তাই ঢাকার খালগুলো উদ্ধার, খনন ও পরিষ্কার করার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
একসময় ঢাকার খালগুলো নগরীর প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। নদী ও জলাশয়ের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় রাখত এসব খাল। অবৈধ দখল, ভরাট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক খাল তাদের অস্তিত্ব হারিয়েছে। কোথাও খাল সরু হয়ে গেছে, কোথাও বর্জ্যে ভরে গেছে। আবার কোথাও খালের চিহ্নই খুঁজে পাওয়া কঠিন।
খাল উদ্ধার, দখলমুক্তকরণ এবং পরিষ্কার করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। খালের সীমানা নির্ধারণ, গাইড ওয়াল নির্মাণ এবং ভবিষ্যৎ দখল ঠেকানোর পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলে, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার টেকসই সমাধান হয় না। দখলমুক্ত বা উদ্ধার করার পর খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাও জরুরি। না হলে খালগুলো আবারও দখল-ভরাট-দূষণের শিকার হতে পারে।
দখলমুক্তকরণ কার্যক্রমে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। খাল দখলের সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ বহুবার উঠে এসেছে। খালের সঙ্গে যুক্ত অবৈধ স্থাপনা, বর্জ্য ফেলা এবং অপরিকল্পিত নির্মাণকাজের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে হবে। আর এজন্য দরকার নগরবাসীর সচেতন অংশগ্রহণ।

আপনার মতামত লিখুন