পটুয়াখালীতে সাড়ে ৭৬ কোটি টাকার ৫৫টি সেতু ও সাতটি সড়কের নির্মাণকাজ ২২ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে স্থানীয় মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক সেতুর কাঠামো তৈরি হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে আছে। সড়কগুলোতে খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে জনসাধারণের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইফতি-ইটিসিএলের মালিক দেশত্যাগ করার পর ব্যাংক হিসাব জব্দ হয়। এতে আর্থিক লেনদেনে জটিলতা দেখা দেয়। সাব-ঠিকাদাররা কাজ বন্ধ করে দেন। তারা আদালতে মামলা করেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এখন চুক্তি বাতিলসহ পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
জানা যাচ্ছে, প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি ছিল ৪০-৭৭ শতাংশের মধ্যে। কোনো কোনো স্থানে সেতু প্রায় শেষ হয়েছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ। এই দীর্ঘ স্থবিরতা জনজীবনে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।
এলজিইডি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা বলব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচিত দ্রুত জটিলতা নিরসন করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ হয় এবং জনগণের কষ্ট লাঘব হয়।
অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের বিল¤^ যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সেজন্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও তদারকি আরও জোরদার করতে হবে। রাষ্রেচলর উন্নয়ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ। তাই কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন, আর্থিক জটিলতা বা ঠিকাদারি সংকটের কারণে জনস্বার্থের কাজ বছরের পর বছর আটকে থাকা উচিত নয়।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
পটুয়াখালীতে সাড়ে ৭৬ কোটি টাকার ৫৫টি সেতু ও সাতটি সড়কের নির্মাণকাজ ২২ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে স্থানীয় মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক সেতুর কাঠামো তৈরি হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে আছে। সড়কগুলোতে খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে জনসাধারণের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইফতি-ইটিসিএলের মালিক দেশত্যাগ করার পর ব্যাংক হিসাব জব্দ হয়। এতে আর্থিক লেনদেনে জটিলতা দেখা দেয়। সাব-ঠিকাদাররা কাজ বন্ধ করে দেন। তারা আদালতে মামলা করেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এখন চুক্তি বাতিলসহ পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
জানা যাচ্ছে, প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি ছিল ৪০-৭৭ শতাংশের মধ্যে। কোনো কোনো স্থানে সেতু প্রায় শেষ হয়েছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ। এই দীর্ঘ স্থবিরতা জনজীবনে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।
এলজিইডি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা বলব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচিত দ্রুত জটিলতা নিরসন করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যাতে প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ হয় এবং জনগণের কষ্ট লাঘব হয়।
অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের বিল¤^ যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সেজন্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও তদারকি আরও জোরদার করতে হবে। রাষ্রেচলর উন্নয়ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ। তাই কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন, আর্থিক জটিলতা বা ঠিকাদারি সংকটের কারণে জনস্বার্থের কাজ বছরের পর বছর আটকে থাকা উচিত নয়।

আপনার মতামত লিখুন