সম্প্রতি গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে দুটি বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে এবং অন্যটিতে সাতজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনা দুটি শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই প্রকাশ করেছে।
গাজীপুরের পুবাইলে ‘অটো গ্রিন’ কারখানায় পুরোনো টায়ার প্রক্রিয়াজাত করে ফার্নেস অয়েল ˆতরি করা হতো। বয়লার অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বিস্ফোরিত হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। কারখানায় দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
ফতুল্লার নির্ঝর নিটওয়্যার কারখানার শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, সেখানকার বয়লারটি অনেক পুরনো ছিল। মালিকপক্ষকে একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বয়লার শিল্পকারখানার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্র। এর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা মান অনুসরণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দেশে শিল্পায়নের সঙ্গে সঙ্গে বয়লার ব্যবহারও বেড়েছে। সমস্যা হচ্ছে, অনেক কারখানায় নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে মানা হয় না। এর ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। শুধু কারখানার কর্মরত শ্রমিক নয়, আশপাশের জনবসতি ও পরিবেশও এর প্রভাবের বাইরে থাকে না।
আমরা বলতে চাই, প্রতিটি বয়লার দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে দায় নির্ধারণ করতে হবে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
শিল্পখাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য উৎপাদনের পাশাপাশি নিরাপত্তা সংস্কৃতিও গড়ে তুলতে হবে। দুর্ঘটনার পর ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের দিকে গুরুত্ব দেয়া হলে শিল্পকারখানাগুলো আরও নিরাপদ হবে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
সম্প্রতি গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে দুটি বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে এবং অন্যটিতে সাতজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনা দুটি শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই প্রকাশ করেছে।
গাজীপুরের পুবাইলে ‘অটো গ্রিন’ কারখানায় পুরোনো টায়ার প্রক্রিয়াজাত করে ফার্নেস অয়েল ˆতরি করা হতো। বয়লার অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বিস্ফোরিত হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। কারখানায় দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
ফতুল্লার নির্ঝর নিটওয়্যার কারখানার শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, সেখানকার বয়লারটি অনেক পুরনো ছিল। মালিকপক্ষকে একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বয়লার শিল্পকারখানার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্র। এর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা মান অনুসরণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দেশে শিল্পায়নের সঙ্গে সঙ্গে বয়লার ব্যবহারও বেড়েছে। সমস্যা হচ্ছে, অনেক কারখানায় নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে মানা হয় না। এর ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। শুধু কারখানার কর্মরত শ্রমিক নয়, আশপাশের জনবসতি ও পরিবেশও এর প্রভাবের বাইরে থাকে না।
আমরা বলতে চাই, প্রতিটি বয়লার দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে দায় নির্ধারণ করতে হবে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
শিল্পখাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য উৎপাদনের পাশাপাশি নিরাপত্তা সংস্কৃতিও গড়ে তুলতে হবে। দুর্ঘটনার পর ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের দিকে গুরুত্ব দেয়া হলে শিল্পকারখানাগুলো আরও নিরাপদ হবে।

আপনার মতামত লিখুন