চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আঙিনায় চার বছর ধরে পড়ে আছে একটি আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স। ভারত সরকারের উপহার দেয়া লাইফ সাপোর্ট সুবিধাসংবলিত অ্যাম্বুলেন্সটি আজও চালু করা যায়নি। চালক, টেকনিশিয়ান এবং জ্বালানি বরাদ্দের অভাবে গাড়িটি এক দিনের জন্যও সেবায় আসেনি। ফলে অ্যাম্বুলেন্সের যন্ত্রপাতি নষ্ট হতে বসেছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় জনবল ও বরাদ্দ চেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এখনও কোনো সমাধান মেলেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায়ও এটি উত্থাপিত হয়নি। আমরা মনে করি, এই যোগাযোগের অভাব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতাকে প্রকাশ করে।
উপজেলা স্তরের হাসপাতালে এমন আধুনিক সরঞ্জামের প্রয়োজন অস্বীকার করার উপায় নেই। শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জেলা সদরে নিতে গিয়ে অনেক সময় মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সটি চালু থাকলে সেই সংকট অনেকাংশে কমতে পারত। প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় সরকারি সম্পদ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্বাস্থ্য খাতে অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি বাড়ানোর পাশাপাশি এগুলোর সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি। একটি অ্যাম্বুলেন্স চার বছর ধরে অচল থাকা শুধু সম্পদের অপচয় নয়, অব্যবস্থাপনারও একটি উদাহরণ। এ ধরনের ঘটনা উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়।
রাউজানের আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও জ্বালানি বরাদ্দ করা উচিত। একই সঙ্গে সারা দেশের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে অনুরূপ অব্যবহৃত সরঞ্জাম আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আঙিনায় চার বছর ধরে পড়ে আছে একটি আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স। ভারত সরকারের উপহার দেয়া লাইফ সাপোর্ট সুবিধাসংবলিত অ্যাম্বুলেন্সটি আজও চালু করা যায়নি। চালক, টেকনিশিয়ান এবং জ্বালানি বরাদ্দের অভাবে গাড়িটি এক দিনের জন্যও সেবায় আসেনি। ফলে অ্যাম্বুলেন্সের যন্ত্রপাতি নষ্ট হতে বসেছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় জনবল ও বরাদ্দ চেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এখনও কোনো সমাধান মেলেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায়ও এটি উত্থাপিত হয়নি। আমরা মনে করি, এই যোগাযোগের অভাব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতাকে প্রকাশ করে।
উপজেলা স্তরের হাসপাতালে এমন আধুনিক সরঞ্জামের প্রয়োজন অস্বীকার করার উপায় নেই। শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জেলা সদরে নিতে গিয়ে অনেক সময় মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সটি চালু থাকলে সেই সংকট অনেকাংশে কমতে পারত। প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় সরকারি সম্পদ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্বাস্থ্য খাতে অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি বাড়ানোর পাশাপাশি এগুলোর সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি। একটি অ্যাম্বুলেন্স চার বছর ধরে অচল থাকা শুধু সম্পদের অপচয় নয়, অব্যবস্থাপনারও একটি উদাহরণ। এ ধরনের ঘটনা উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়।
রাউজানের আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও জ্বালানি বরাদ্দ করা উচিত। একই সঙ্গে সারা দেশের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে অনুরূপ অব্যবহৃত সরঞ্জাম আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন