সংবাদ

'প্রধানমন্ত্রীর ভুল ধরিয়ে দেয়ার মানুষ নেই'

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬

'প্রধানমন্ত্রীর ভুল ধরিয়ে দেয়ার মানুষ নেই' রাষ্ট্রের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ পচন! ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান কি আসলেই কোনো বিপ্লব ছিল, নাকি স্রেফ অর্থনৈতিক হতাশার বহিঃপ্রকাশ? সমাজতাত্ত্বিক ও গবেষক খন্দকার সাখাওয়াত আলীর নির্মোহ বিশ্লেষণে উন্মোচিত হয়েছে রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম ব্যর্থতা ও দেউলিয়াত্বের করুন রূপ। ভিডিওর মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ: • ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও আস্থার সংকট: ২৪ এর আন্দোলনকে ঢালাওভাবে 'বিপ্লব' বলা হলেও, এর গভীরে রয়েছে রাজনৈতিক প্রস্তুতির চরম অভাব এবং শিক্ষিত বেকারদের নিছক অর্থনৈতিক ক্ষোভ । রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বছরের পর বছর জোরপূর্বক নির্বাচনের বাইরে রাখার চরম মাশুল আজ গুনছে জাতি । এর ফলে গোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও নির্বাচনের ওপর মানুষের আস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হয়েছে । • ধসে পড়া অর্থনীতি ও লুটেরা ব্যাংকিং খাত: সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে ফুলেফেঁপে উঠছে লুটেরা গোষ্ঠী! গত ২/৩ বছরে দেশের ব্যাংকিং খাত পুরোপুরি ধসে পড়েছে । ব্যাংকগুলো লুটপাটের কারণে ফাঁকা, অর্থ পাচার চরমে পৌঁছেছে, আর বিশাল বাজেটের নামে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতির বোঝা । • বাম রাজনীতির মৃত্যু ও উগ্র শক্তির আস্ফালন: ষাটের দশকের প্রগতিশীল ও বাম রাজনীতির আজ সলিল সমাধি ঘটেছে । সমাজ ও রাষ্ট্রে গঠনমূলক ও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের চরম অভাবে সেই শূন্যস্থান দখল করেছে উগ্র শক্তি । ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে তারা আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ধর্মান্ধতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে । • জবাবদিহিহীন রাষ্ট্র ও চরম অসহিষ্ণু প্রজন্ম: দেশটা যেন আক্ষরিক অর্থেই মগের মুল্লুক! রাজনীতিবিদ, আমলা, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক কিংবা সাংবাদিক কারোই যেন কোন জবাবদিহিতা নেই । এই চরম অব্যবস্থাপনার যুগে জন্ম নিয়েছে এক ভয়াবহ রকমের অসহিষ্ণু প্রজন্ম । একদিকে সংবিধান সংস্কারের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের ছিটেফোঁটাও নেই । অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সংগঠিত হয়ে বিনা কারণে সিনেমা প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়ার মতো উগ্র ও অসহিষ্ণু চর্চায় মেতেছে আজকের তরুণ সমাজ । রাষ্ট্র ও সমাজের এই গভীর ক্ষতে পেছনের আসল সত্য জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন!