পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে বান্দরবান শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শহরের আর্মি পাড়া, শেরে বাংলা নগরসহ আশপাশের নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও উঠানে পানি ঢুকে পড়ে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন দুর্ভেোগ শুরু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতের দিকে হঠাৎ করেই পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করে। অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন। কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে বান্দরবান সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন, পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে শহরের নিম্নাঞ্চলের প্লাবিত হওয়ার খবর পেয়েছি এবং এলাকাবাসীদের সাথে কথা হয়েছে।
বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বাসিন্দারা নিককস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবে। যেকোনো দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে বলে জানান তিনি।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে বান্দরবান শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শহরের আর্মি পাড়া, শেরে বাংলা নগরসহ আশপাশের নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও উঠানে পানি ঢুকে পড়ে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন দুর্ভেোগ শুরু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতের দিকে হঠাৎ করেই পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করে। অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন। কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে বান্দরবান সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন, পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে শহরের নিম্নাঞ্চলের প্লাবিত হওয়ার খবর পেয়েছি এবং এলাকাবাসীদের সাথে কথা হয়েছে।
বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বাসিন্দারা নিককস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবে। যেকোনো দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন