গাজীপুরের কাপাসিয়ায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর স্কুলছাত্র মো. তাফসিরুল ইসলাম অন্তুকে (১৪) উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ব পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে একটি ভবনের ছাদ থেকে তার রক্তমাখা পোশাক ও পরিচয়পত্র উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।
তাফসিরুল কাপাসিয়ার বীরউজুলী মডেল একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে টোক ইউনিয়নের ডুমদিয়া গ্রামের সোহাগ খানের ছেলে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্কুলের টিফিনের বিরতির সময় সে নিখোঁজ হয়েছিল।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেড়টার দিকে বিমানবন্দরের কাছে একাকী ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়রা তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে যান। জ্ঞান ফেরার পর তাফসিরুল সেখান থেকে বাবার মুঠোফোন নম্বরে কল করে নিজের অবস্থানের কথা জানায়। পরে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান ও কাপাসিয়া থানা-পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে এলাকায় নিয়ে আসে।
তাফসিরুলের বাবা সোহাগ খান বলেন, ‘তিন দিন অচেতন থাকার পর শুক্রবার দুপুরের দিকে অন্তুর জ্ঞান ফেরে। চোখ মেলে সে নিজেকে বিমানবন্দরের সামনে দেখতে পায়। আগে কয়েকবার সেখানে যাওয়ায় জায়গাটি সে চিনতে পারে এবং দ্রুত পুলিশ বক্সে গিয়ে আমাদের খবর দেয়।’
নিখোঁজের ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে স্কুলের বিরতির সময় অন্যান্য শিক্ষার্থীর মতো তাফসিরুলও বাইরে বের হয়। কিন্তু ক্লাস শুরু হলেও সে আর ফেরেনি। বিকেল তিনটার দিকে বীরউজুলী বাজারের এক ব্যবসায়ীর তিনতলা ভবনের ছাদের গুদামে রক্তমাখা প্যান্ট, শার্ট, জুতা ও পরিচয়পত্র পড়ে থাকতে দেখেন এক কর্মচারী। খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো তাফসিরুলের বলে শনাক্ত করেন। এতে পুরো এলাকায় তার প্রাণহানি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, কিশোরটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে বিরতির সময় স্কুল থেকে সে কীভাবে নিখোঁজ হলো এবং বাজারের তিনতলায় তার রক্তমাখা পোশাক কীভাবে গেল, সে রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় তাফসিরুলকে এলাকায় নিয়ে এলে হাজারো উৎসুক মানুষ তাকে দেখতে বীরউজুলী এলাকায় ভিড় জমান।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর স্কুলছাত্র মো. তাফসিরুল ইসলাম অন্তুকে (১৪) উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ব পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে একটি ভবনের ছাদ থেকে তার রক্তমাখা পোশাক ও পরিচয়পত্র উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।
তাফসিরুল কাপাসিয়ার বীরউজুলী মডেল একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে টোক ইউনিয়নের ডুমদিয়া গ্রামের সোহাগ খানের ছেলে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্কুলের টিফিনের বিরতির সময় সে নিখোঁজ হয়েছিল।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেড়টার দিকে বিমানবন্দরের কাছে একাকী ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়রা তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে যান। জ্ঞান ফেরার পর তাফসিরুল সেখান থেকে বাবার মুঠোফোন নম্বরে কল করে নিজের অবস্থানের কথা জানায়। পরে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান ও কাপাসিয়া থানা-পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে এলাকায় নিয়ে আসে।
তাফসিরুলের বাবা সোহাগ খান বলেন, ‘তিন দিন অচেতন থাকার পর শুক্রবার দুপুরের দিকে অন্তুর জ্ঞান ফেরে। চোখ মেলে সে নিজেকে বিমানবন্দরের সামনে দেখতে পায়। আগে কয়েকবার সেখানে যাওয়ায় জায়গাটি সে চিনতে পারে এবং দ্রুত পুলিশ বক্সে গিয়ে আমাদের খবর দেয়।’
নিখোঁজের ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে স্কুলের বিরতির সময় অন্যান্য শিক্ষার্থীর মতো তাফসিরুলও বাইরে বের হয়। কিন্তু ক্লাস শুরু হলেও সে আর ফেরেনি। বিকেল তিনটার দিকে বীরউজুলী বাজারের এক ব্যবসায়ীর তিনতলা ভবনের ছাদের গুদামে রক্তমাখা প্যান্ট, শার্ট, জুতা ও পরিচয়পত্র পড়ে থাকতে দেখেন এক কর্মচারী। খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো তাফসিরুলের বলে শনাক্ত করেন। এতে পুরো এলাকায় তার প্রাণহানি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, কিশোরটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে বিরতির সময় স্কুল থেকে সে কীভাবে নিখোঁজ হলো এবং বাজারের তিনতলায় তার রক্তমাখা পোশাক কীভাবে গেল, সে রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় তাফসিরুলকে এলাকায় নিয়ে এলে হাজারো উৎসুক মানুষ তাকে দেখতে বীরউজুলী এলাকায় ভিড় জমান।

আপনার মতামত লিখুন