বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি এত দিন ছিল সোনালি ট্রফি আর গলায় ঝোলানো পদকে। এবার সেই স্মৃতি জায়গা করে নেবে আঙুলেও। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এবারই প্রথম চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকেই এই নতুন প্রথা চালু হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এনবিএ, এনএফএল কিংবা এমএলবির মতো জনপ্রিয় লিগগুলোয় চ্যাম্পিয়নশিপ রিং দেওয়ার ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। উত্তর আমেরিকায় আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপের মাধ্যমে সেই সংস্কৃতি ফুটবলেও প্রবেশ করছে। ফিফার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালকে স্মরণীয় করে রাখতে মোট ২ হাজার ২৬টি রিং তৈরি করা হবে। এর মধ্যে মাত্র ৩০টি থাকবে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের জন্য। বাকি ১ হাজার ৯৯৬টি রিং অফিশিয়াল লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের জন্য বাজারে ছাড়া হবে।
রিংয়ের এক পাশে থাকবে বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা। অন্য পাশে থাকবে চ্যাম্পিয়ন দলের নাম, রং ও প্রতীক। বিজয়ী দলের জন্য তৈরি প্রতিটি রিং হবে আলাদা সিরিয়াল নম্বরযুক্ত। যিনি এর মালিক হবেন, তার আঙুলের মাপ অনুযায়ী এটি তৈরি করা হবে এবং সঙ্গে থাকবে একটি সত্যায়নপত্র (সার্টিফিকেট অব অথেনটিসিটি)।
আগামী ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে (নিউ জার্সি) ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চেই বিজয়ী দলের অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে স্মারক হিসেবে অস্থায়ী রিং দেওয়া হবে। পরে খেলোয়াড় ও স্টাফদের সঠিক মাপ অনুযায়ী চূড়ান্ত ৩০টি রিং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
যে দলই জিতুক, ট্রফি আর স্বর্ণপদকের পাশাপাশি তারাই হবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম দল, যাদের আঙুলে উঠবে ফিফার এই বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’।
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি এত দিন ছিল সোনালি ট্রফি আর গলায় ঝোলানো পদকে। এবার সেই স্মৃতি জায়গা করে নেবে আঙুলেও। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এবারই প্রথম চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকেই এই নতুন প্রথা চালু হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এনবিএ, এনএফএল কিংবা এমএলবির মতো জনপ্রিয় লিগগুলোয় চ্যাম্পিয়নশিপ রিং দেওয়ার ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। উত্তর আমেরিকায় আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপের মাধ্যমে সেই সংস্কৃতি ফুটবলেও প্রবেশ করছে। ফিফার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালকে স্মরণীয় করে রাখতে মোট ২ হাজার ২৬টি রিং তৈরি করা হবে। এর মধ্যে মাত্র ৩০টি থাকবে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের জন্য। বাকি ১ হাজার ৯৯৬টি রিং অফিশিয়াল লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের জন্য বাজারে ছাড়া হবে।
রিংয়ের এক পাশে থাকবে বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা। অন্য পাশে থাকবে চ্যাম্পিয়ন দলের নাম, রং ও প্রতীক। বিজয়ী দলের জন্য তৈরি প্রতিটি রিং হবে আলাদা সিরিয়াল নম্বরযুক্ত। যিনি এর মালিক হবেন, তার আঙুলের মাপ অনুযায়ী এটি তৈরি করা হবে এবং সঙ্গে থাকবে একটি সত্যায়নপত্র (সার্টিফিকেট অব অথেনটিসিটি)।
আগামী ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে (নিউ জার্সি) ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চেই বিজয়ী দলের অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে স্মারক হিসেবে অস্থায়ী রিং দেওয়া হবে। পরে খেলোয়াড় ও স্টাফদের সঠিক মাপ অনুযায়ী চূড়ান্ত ৩০টি রিং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
যে দলই জিতুক, ট্রফি আর স্বর্ণপদকের পাশাপাশি তারাই হবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম দল, যাদের আঙুলে উঠবে ফিফার এই বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’।
/

আপনার মতামত লিখুন