রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা হতে পারে। তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী কয়েক দিন বাড়তে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাবে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুরের নিম্নাঞ্চলে দেখা দিতে পারে সাময়িক বন্যা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে এসব তথ্য।
সিলেট অঞ্চলেও সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়তে পারে। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে। উপদ্রুত এলাকার মানুষকে আগেভাগে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা এবং জরুরি সহায়তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
বন্যার পর স্বাস্থ্যঝুঁকি আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। সাম্প্রতিক বন্যায় আট জেলায় পানি নেমে যাওয়ার পরও কিছু এলাকা জলাবদ্ধ রয়েছে। গত পাঁচ দিনে দুই হাজার ৬শ’ ত্রিশ জন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। দূষিত পানি, বিপর্যস্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং নিরাপদ পানির অভাবে এসব রোগের বিস্তার ঘটেছে। শিশু, গর্ভবতী নারী ও বয়স্করা বেশি ঝুঁকিতে পড়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মেডিকেল টিম মোতায়েন করেছে। ওষুধ সরবরাহ করছে। তবে পানি বিশুদ্ধকরণ সরঞ্জাম সহজলভ্য করতে হবে। বন্যার পর দুই-তিন সপ্তাহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এই সময় সতর্ক থাকতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে।
বন্যা বাংলাদেশের নিয়মিত দুর্যোগ। পূর্বাভাস পাওয়ার সুযোগ থাকলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। তাই সময়মতো প্রস্তুতি নেয়া এবং বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্যকর্মী ও নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এ সংকট মোকাবিলা করা যাবে বলে আমরা আশা করতে চাই।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা হতে পারে। তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী কয়েক দিন বাড়তে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাবে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুরের নিম্নাঞ্চলে দেখা দিতে পারে সাময়িক বন্যা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে এসব তথ্য।
সিলেট অঞ্চলেও সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়তে পারে। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে। উপদ্রুত এলাকার মানুষকে আগেভাগে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা এবং জরুরি সহায়তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
বন্যার পর স্বাস্থ্যঝুঁকি আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। সাম্প্রতিক বন্যায় আট জেলায় পানি নেমে যাওয়ার পরও কিছু এলাকা জলাবদ্ধ রয়েছে। গত পাঁচ দিনে দুই হাজার ৬শ’ ত্রিশ জন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। দূষিত পানি, বিপর্যস্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং নিরাপদ পানির অভাবে এসব রোগের বিস্তার ঘটেছে। শিশু, গর্ভবতী নারী ও বয়স্করা বেশি ঝুঁকিতে পড়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মেডিকেল টিম মোতায়েন করেছে। ওষুধ সরবরাহ করছে। তবে পানি বিশুদ্ধকরণ সরঞ্জাম সহজলভ্য করতে হবে। বন্যার পর দুই-তিন সপ্তাহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এই সময় সতর্ক থাকতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে।
বন্যা বাংলাদেশের নিয়মিত দুর্যোগ। পূর্বাভাস পাওয়ার সুযোগ থাকলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। তাই সময়মতো প্রস্তুতি নেয়া এবং বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্যকর্মী ও নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এ সংকট মোকাবিলা করা যাবে বলে আমরা আশা করতে চাই।

আপনার মতামত লিখুন