সংবাদ

ফরিদপুরের দৃষ্টিনন্দন চত্বর ও স্থাপনা ‘ভাঙার চাপে’ ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী


প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম

ফরিদপুরের দৃষ্টিনন্দন চত্বর ও স্থাপনা ‘ভাঙার চাপে’ ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
ফরিদপুর শহরের সৌন্দর্য বাড়াতে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন দুই চত্বর। ছবি : সংবাদ

ফরিদপুর শহরকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত বেশ কয়েকটি চত্বর ও স্থাপনা ভেঙে ফেলার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক আক্রোশ থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের এমন তৎপরতার খবরে জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত ও মৌখিক অনুমতি নিয়েই শহরের ‘গোরস্থান মোড় চত্বর’, আলীপুর গোলপুকুর মোড়ে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা খান মাহবুব চত্বর’ এবং ‘অনাথের মোড় চত্বর’সহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন (জুয়েল)। দৃষ্টিনন্দন এসব স্থাপনা স্থানীয়দের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

তবে সম্প্রতি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

সৈয়দ জুলফিকার হোসেন বলেন, ‘গত শনিবার রাতে সড়ক বিভাগ ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার আমাকে ফোন করেন। তিনি জানান, ফরিদপুরের এক প্রভাবশালী নেতা স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার জন্য সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছেন। তাই তিনি আমাকে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান।’

সৈয়দ জুলফিকার হোসেন আরও বলেন, ‘আমি প্রকৌশলীকে জানিয়ে দিয়েছি, আমার পক্ষে এই স্থাপনা ভাঙা সম্ভব নয়। এগুলো এখন ফরিদপুরের জনগণের সম্পদ। ব্যক্তি আক্রোশে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত আমি জনগণের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’

রাজনৈতিক বিরোধের জেরে শহরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যে আঘাত করার এমন সিদ্ধান্তের খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রিকশা ও অটোচালকরাও। তারা বলছেন, শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার চাপের বিষয়ে জানতে ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


ফরিদপুরের দৃষ্টিনন্দন চত্বর ও স্থাপনা ‘ভাঙার চাপে’ ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

ফরিদপুর শহরকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত বেশ কয়েকটি চত্বর ও স্থাপনা ভেঙে ফেলার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক আক্রোশ থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের এমন তৎপরতার খবরে জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত ও মৌখিক অনুমতি নিয়েই শহরের ‘গোরস্থান মোড় চত্বর’, আলীপুর গোলপুকুর মোড়ে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা খান মাহবুব চত্বর’ এবং ‘অনাথের মোড় চত্বর’সহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন (জুয়েল)। দৃষ্টিনন্দন এসব স্থাপনা স্থানীয়দের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

তবে সম্প্রতি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

সৈয়দ জুলফিকার হোসেন বলেন, ‘গত শনিবার রাতে সড়ক বিভাগ ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার আমাকে ফোন করেন। তিনি জানান, ফরিদপুরের এক প্রভাবশালী নেতা স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার জন্য সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছেন। তাই তিনি আমাকে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান।’

সৈয়দ জুলফিকার হোসেন আরও বলেন, ‘আমি প্রকৌশলীকে জানিয়ে দিয়েছি, আমার পক্ষে এই স্থাপনা ভাঙা সম্ভব নয়। এগুলো এখন ফরিদপুরের জনগণের সম্পদ। ব্যক্তি আক্রোশে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত আমি জনগণের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’

রাজনৈতিক বিরোধের জেরে শহরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যে আঘাত করার এমন সিদ্ধান্তের খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রিকশা ও অটোচালকরাও। তারা বলছেন, শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার চাপের বিষয়ে জানতে ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত