টানা অতিবৃষ্টিতে পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়ি-জিলবাড়ী সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভাঙন ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চার ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নাজিরপুর উপজেলা সদরসহ আশপাশের ৪টি ইউনিয়নের মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি আগে থেকেই জরাজীর্ণ ছিল। সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে রাজাবাড়ির সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে থেকে বিন্না বাজার হয়ে জিলবাড়ী পর্যন্ত সড়কের একাধিক অংশ ভেঙে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের ফলে রিকশা, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, যাতে আহত হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা। অনেক চালক বাধ্য হয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, এতে সময় ও খরচ–দুই-ই বাড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য তাঁরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অফিস বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
\

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
টানা অতিবৃষ্টিতে পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়ি-জিলবাড়ী সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভাঙন ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চার ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নাজিরপুর উপজেলা সদরসহ আশপাশের ৪টি ইউনিয়নের মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি আগে থেকেই জরাজীর্ণ ছিল। সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে রাজাবাড়ির সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে থেকে বিন্না বাজার হয়ে জিলবাড়ী পর্যন্ত সড়কের একাধিক অংশ ভেঙে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের ফলে রিকশা, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, যাতে আহত হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা। অনেক চালক বাধ্য হয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, এতে সময় ও খরচ–দুই-ই বাড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য তাঁরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অফিস বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
\

আপনার মতামত লিখুন