সংবাদ

ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে পুলিশ ধরল ‘আন্তঃজেলা চোরচক্র’


বাকী বিল্লাহ
বাকী বিল্লাহ
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে পুলিশ ধরল ‘আন্তঃজেলা চোরচক্র’

  • পৌনে ২ লাখ টাকার মোটর সাইকেল ৫৮ হাজারে বিক্রি
  • শাহজাদপুরে ছদ্মবেশী পুলিশের অভিযান
  • গুরুসহ চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫টি মোটরসাইকেল উদ্ধার
  • বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কৌশল বদলে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে একআন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের’ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।

সময় চক্রের আস্তানা থেকে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিরা হলো: মনিরুল ইসলাম ওরফে বাবু, রায়হান হোসেন বেল্লাল হোসেন।

পুলিশ জানায়, শাহজাদপুরের তালগাছি বাজার এলাকায় গোপন আস্তানায় চোরাই মোটরসাইকেল বেচাকেনার খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে একদল পেশাদার চোর জড়ো হয়ে কেনাবেচা করছিল। পরিস্থিতি অনুধাবন করে পুলিশ সদস্যরা ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তারা চুরির গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ আসামি বাবুকে আটক করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে গাড়ির কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে চক্রের আরও দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং মোট পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

শাহজাদপুর থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, "আসামিরা পেশাদার মোটরসাইকেল চোর। এদের দলে একজন প্রবীণ গুরুও রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে টার্গেট করে চতুরতার সাথে মোটরসাইকেল চুরি করে নিজস্ব আস্তানায় নিয়ে যেত। সেখানে গাড়ির রং পার্টস পরিবর্তন করে পৌনে দুই লাখ টাকা দামের গাড়ি মাত্র ৫৮ হাজার টাকায় বা অর্ধেক দামে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিত।"

ওসি আরও জানান, এই চক্রে আরও ১০ থেকে ১২ জন সদস্য রয়েছে এবং গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পলাতক বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য বলছে, এই চক্রটির নেটওয়ার্ক রাজধানী থেকে গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৮০০টি মোটরসাইকেল চুরির মামলা রেকর্ড করা হচ্ছে এবং গত মাসে এই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। চোরচক্রের মূল উপাটনে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে পুলিশ ধরল ‘আন্তঃজেলা চোরচক্র’

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

  • পৌনে ২ লাখ টাকার মোটর সাইকেল ৫৮ হাজারে বিক্রি
  • শাহজাদপুরে ছদ্মবেশী পুলিশের অভিযান
  • গুরুসহ চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫টি মোটরসাইকেল উদ্ধার
  • বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কৌশল বদলে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে একআন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের’ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।

সময় চক্রের আস্তানা থেকে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিরা হলো: মনিরুল ইসলাম ওরফে বাবু, রায়হান হোসেন বেল্লাল হোসেন।

পুলিশ জানায়, শাহজাদপুরের তালগাছি বাজার এলাকায় গোপন আস্তানায় চোরাই মোটরসাইকেল বেচাকেনার খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে একদল পেশাদার চোর জড়ো হয়ে কেনাবেচা করছিল। পরিস্থিতি অনুধাবন করে পুলিশ সদস্যরা ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তারা চুরির গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ আসামি বাবুকে আটক করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে গাড়ির কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে চক্রের আরও দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং মোট পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

শাহজাদপুর থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, "আসামিরা পেশাদার মোটরসাইকেল চোর। এদের দলে একজন প্রবীণ গুরুও রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে টার্গেট করে চতুরতার সাথে মোটরসাইকেল চুরি করে নিজস্ব আস্তানায় নিয়ে যেত। সেখানে গাড়ির রং পার্টস পরিবর্তন করে পৌনে দুই লাখ টাকা দামের গাড়ি মাত্র ৫৮ হাজার টাকায় বা অর্ধেক দামে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিত।"

ওসি আরও জানান, এই চক্রে আরও ১০ থেকে ১২ জন সদস্য রয়েছে এবং গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পলাতক বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য বলছে, এই চক্রটির নেটওয়ার্ক রাজধানী থেকে গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৮০০টি মোটরসাইকেল চুরির মামলা রেকর্ড করা হচ্ছে এবং গত মাসে এই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। চোরচক্রের মূল উপাটনে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত