ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের টেকানগর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং অন্য একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে টেকানগর এলাকায় নদীর মধ্যে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় কামরুল (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এন এম কায়সার। এ সময় নদীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০৮টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই গ্রামের আদেল চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। গুদামে নিষিদ্ধ জাল মজুত রাখার দায়ে আদেল চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। জব্দ করা সব জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফাহমিল বলেন, নদী ও খালে একশ্রেণির অসাধু জেলে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করছে। এমন খবরের ভিত্তিতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাসিরনগর থানা-পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
/

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের টেকানগর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং অন্য একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে টেকানগর এলাকায় নদীর মধ্যে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় কামরুল (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এন এম কায়সার। এ সময় নদীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০৮টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই গ্রামের আদেল চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। গুদামে নিষিদ্ধ জাল মজুত রাখার দায়ে আদেল চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত। জব্দ করা সব জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফাহমিল বলেন, নদী ও খালে একশ্রেণির অসাধু জেলে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করছে। এমন খবরের ভিত্তিতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাসিরনগর থানা-পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
/

আপনার মতামত লিখুন