কক্সবাজারের টেকনাফে চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় নৈশপ্রহরী নাজির হোসেনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার এজাহারনামীয় ৫ নম্বর আসামি মো. রিদুয়ানকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫) ও জেলা পুলিশ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে (রাত দেড়টার দিকে) টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রিদুয়ান টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লানপাড়া এলাকার মৃত কবির আহমদের ছেলে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার বিবরণ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে র্যাব জানায়, একটি চাঁদাবাজ চক্র দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় লোকজনের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ সেপ্টেম্বর রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড নতুন পল্লানপাড়া এলাকায় চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসী চক্রটি স্থানীয়দের ওপর হামলা চালায়। এ সময় নৈশপ্রহরী নাজির হোসেন আক্রান্তদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র, কিরিচ ও লোহার রড নিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
হামলাকালে গ্রেপ্তার আসামি রিদুয়ান তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে নাজির হোসেনের পিঠে সজোরে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। পরবর্তীতে অন্য আসামিরাও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং বুকে-গলায় চেপে ধরে নাজিরের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, আটক আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় নৈশপ্রহরী নাজির হোসেনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার এজাহারনামীয় ৫ নম্বর আসামি মো. রিদুয়ানকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫) ও জেলা পুলিশ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে (রাত দেড়টার দিকে) টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রিদুয়ান টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লানপাড়া এলাকার মৃত কবির আহমদের ছেলে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার বিবরণ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে র্যাব জানায়, একটি চাঁদাবাজ চক্র দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় লোকজনের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ সেপ্টেম্বর রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড নতুন পল্লানপাড়া এলাকায় চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসী চক্রটি স্থানীয়দের ওপর হামলা চালায়। এ সময় নৈশপ্রহরী নাজির হোসেন আক্রান্তদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র, কিরিচ ও লোহার রড নিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
হামলাকালে গ্রেপ্তার আসামি রিদুয়ান তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে নাজির হোসেনের পিঠে সজোরে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। পরবর্তীতে অন্য আসামিরাও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং বুকে-গলায় চেপে ধরে নাজিরের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, আটক আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন