কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় এক লাখ বড়ি ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে পালংখালী বিওপির টহল দল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায়। এ সময় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ‘রিজভীর ঘের’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে দুজন লোককে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির তাড়া খেয়ে চোরাকারবারীরা তাদের হাতে থাকা দুটি পলিব্যাগ ফেলে রেখে পার্শ্ববর্তী গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পলিথিন ব্যাগের ভেতর থেকে ১০টি প্যাকেটে মোড়ানো বায়ুরোধী অবস্থায় মোট এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় চোরাকারবারীদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় এক লাখ বড়ি ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে পালংখালী বিওপির টহল দল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায়। এ সময় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ‘রিজভীর ঘের’ এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে দুজন লোককে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির তাড়া খেয়ে চোরাকারবারীরা তাদের হাতে থাকা দুটি পলিব্যাগ ফেলে রেখে পার্শ্ববর্তী গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পলিথিন ব্যাগের ভেতর থেকে ১০টি প্যাকেটে মোড়ানো বায়ুরোধী অবস্থায় মোট এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় চোরাকারবারীদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন