মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফেরানোর লক্ষ্যে নীতি সুদহারে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পূর্বের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে নীতি সুদহার বা রেপো রেট ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রেপো রেট ১০
শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯
দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ
করা হয়েছে। আগামী ২ আগস্ট থেকে
নতুন এই সুদহার কাঠামো
কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে
কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
একই
সঙ্গে সুদের হারের ঊর্ধ্বসীমা হিসেবে ব্যবহৃত স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফেসিলিটি (এসএলএফ) রেটও ৫০ বেসিস
পয়েন্ট কমিয়ে ১১ শতাংশে নির্ধারণ
করা হয়েছে, যা আগে ছিল
১১ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে
সুদের হারের নিম্নসীমা হিসেবে বিবেচিত স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি (এসডিএফ) রেট আগের মতো
৭ দশমিক ৫০ শতাংশেই অপরিবর্তিত
রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের মনিটারি পলিসি ডিপার্টমেন্ট (এমপিডি) আয়োজিত মনিটরিং পলিসি কমিটির (এমপিসি) ১৩তম সভায় এই
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর ও
কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাকুর রহমানের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বিদ্যমান
মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের গতি,
নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক
পরিক্রমার সার্বিক সামষ্টিক সূচক বিশ্লেষণ করা
হয়। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে
গতিশীল রাখতে সুদের হার কমানোর এ
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি।
অর্থনীতির
এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভায় ডেপুটি গভর্নর
ড. মো. হাবিবুর রহমান,
চিফ ইকোনমিস্ট ড. মোহাম্মদ আক্তার
হোসেন, নির্বাহী পরিচালক ড. ইমাম আবু
সাঈদ, বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. এ কে
এনামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফিরদৌসি নাহার
এবং আইএনএম-এর নির্বাহী পরিচালক
ড. মুস্তফা কামাল মুজেরীসহ বিশেষজ্ঞ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের
ফলে দেশের ব্যাংক খাতের তারল্যপ্রবাহ কিছুটা বাড়বে এবং ব্যবসায়িক খাতে
ঋণের গতি সঞ্চার হবে
বলে আশা করছেন খাতসংশ্লিষ্ট
বিশ্লেষকরা।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফেরানোর লক্ষ্যে নীতি সুদহারে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পূর্বের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে নীতি সুদহার বা রেপো রেট ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রেপো রেট ১০
শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯
দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ
করা হয়েছে। আগামী ২ আগস্ট থেকে
নতুন এই সুদহার কাঠামো
কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে
কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
একই
সঙ্গে সুদের হারের ঊর্ধ্বসীমা হিসেবে ব্যবহৃত স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফেসিলিটি (এসএলএফ) রেটও ৫০ বেসিস
পয়েন্ট কমিয়ে ১১ শতাংশে নির্ধারণ
করা হয়েছে, যা আগে ছিল
১১ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে
সুদের হারের নিম্নসীমা হিসেবে বিবেচিত স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি (এসডিএফ) রেট আগের মতো
৭ দশমিক ৫০ শতাংশেই অপরিবর্তিত
রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের মনিটারি পলিসি ডিপার্টমেন্ট (এমপিডি) আয়োজিত মনিটরিং পলিসি কমিটির (এমপিসি) ১৩তম সভায় এই
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর ও
কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাকুর রহমানের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বিদ্যমান
মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের গতি,
নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক
পরিক্রমার সার্বিক সামষ্টিক সূচক বিশ্লেষণ করা
হয়। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে
গতিশীল রাখতে সুদের হার কমানোর এ
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি।
অর্থনীতির
এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভায় ডেপুটি গভর্নর
ড. মো. হাবিবুর রহমান,
চিফ ইকোনমিস্ট ড. মোহাম্মদ আক্তার
হোসেন, নির্বাহী পরিচালক ড. ইমাম আবু
সাঈদ, বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. এ কে
এনামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফিরদৌসি নাহার
এবং আইএনএম-এর নির্বাহী পরিচালক
ড. মুস্তফা কামাল মুজেরীসহ বিশেষজ্ঞ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের
ফলে দেশের ব্যাংক খাতের তারল্যপ্রবাহ কিছুটা বাড়বে এবং ব্যবসায়িক খাতে
ঋণের গতি সঞ্চার হবে
বলে আশা করছেন খাতসংশ্লিষ্ট
বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন