নতুন করে তৈরি হওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট আগামীকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে—এমন কড়া ও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ২০টি শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই স্বস্তির খবর জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও ব্যবসায়ী ফজলুল হক।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘কাল রাত থেকেই ইনশাআল্লাহ আমাদের নতুন করে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এর আগের যে অবস্থায় আমরা ছিলাম, সেই অবস্থায় গ্যাস-বিদ্যুৎ ওই অবস্থায় আগামীকাল রাতে ফিরে যেতে পারবো।’ একে আজকের বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
পূর্বনির্ধারিত দুই ঘণ্টার পরিবর্তে তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বন্দর ও ব্যাংকিং খাতসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের বহুমুখী সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ফজলুল হক জানান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আগামী দিনে উৎপাদন বাড়ানোর একটি পরিষ্কার রূপরেখা ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের চাহিদা মেটানোর পরিকল্পনা আধা ঘণ্টা ধরে উপস্থাপন করেন। ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ স্থান থেকে প্রশ্ন ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং সন্তোষজনক জবাব পান।
তিনি বলেন, ‘আজ যারা এখানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ছিলাম, আমরা একটা স্বস্তি এবং একটা ভালো লাগার আশ্বাস নিয়ে এই সভা থেকে ত্যাগ করেছি। আমরা এই সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে চাই।’
বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আবুল কালামও একই সুর মিলিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন আগামীকাল থেকেই মিল-কলকারখানা ও ফ্যাক্টরিগুলোতে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চাহিদা পূরণে অনেক উন্নতি হবে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ‘আজকের সভায় প্রধানমন্ত্রী আমাদের জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন আগামীকাল থেকেই আমাদের মিল-কলকারখানায় সব ফ্যাক্টরিতে বিদ্যুতের এবং গ্যাসের যে চাহিদা ছিল আগের মতো, তার অনেক ধরনের উন্নতি হবে এবং আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারব আগামীকাল থেকেই।’
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা চেয়ারম্যান, মুখ্য সচিবসহ জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ডিসিসিআই, এমসিসিআই ও আইসিসিবিসহ ২০টির বেশি চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ব্যবসায়ীরা সরকারের পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন কামনা করে সংকট উত্তরণে শিল্পায়নের ধারা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন করে তৈরি হওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট আগামীকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে—এমন কড়া ও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ২০টি শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই স্বস্তির খবর জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও ব্যবসায়ী ফজলুল হক।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘কাল রাত থেকেই ইনশাআল্লাহ আমাদের নতুন করে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এর আগের যে অবস্থায় আমরা ছিলাম, সেই অবস্থায় গ্যাস-বিদ্যুৎ ওই অবস্থায় আগামীকাল রাতে ফিরে যেতে পারবো।’ একে আজকের বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
পূর্বনির্ধারিত দুই ঘণ্টার পরিবর্তে তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বন্দর ও ব্যাংকিং খাতসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের বহুমুখী সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ফজলুল হক জানান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আগামী দিনে উৎপাদন বাড়ানোর একটি পরিষ্কার রূপরেখা ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের চাহিদা মেটানোর পরিকল্পনা আধা ঘণ্টা ধরে উপস্থাপন করেন। ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ স্থান থেকে প্রশ্ন ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং সন্তোষজনক জবাব পান।
তিনি বলেন, ‘আজ যারা এখানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ছিলাম, আমরা একটা স্বস্তি এবং একটা ভালো লাগার আশ্বাস নিয়ে এই সভা থেকে ত্যাগ করেছি। আমরা এই সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে চাই।’
বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আবুল কালামও একই সুর মিলিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন আগামীকাল থেকেই মিল-কলকারখানা ও ফ্যাক্টরিগুলোতে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চাহিদা পূরণে অনেক উন্নতি হবে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ‘আজকের সভায় প্রধানমন্ত্রী আমাদের জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন আগামীকাল থেকেই আমাদের মিল-কলকারখানায় সব ফ্যাক্টরিতে বিদ্যুতের এবং গ্যাসের যে চাহিদা ছিল আগের মতো, তার অনেক ধরনের উন্নতি হবে এবং আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারব আগামীকাল থেকেই।’
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা চেয়ারম্যান, মুখ্য সচিবসহ জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ডিসিসিআই, এমসিসিআই ও আইসিসিবিসহ ২০টির বেশি চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ব্যবসায়ীরা সরকারের পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন কামনা করে সংকট উত্তরণে শিল্পায়নের ধারা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন