যুক্তরাষ্ট্রের
আইডাহো অঙ্গরাজ্যের টুইন ফলস এলাকায়
একটি রেস্তোরাঁয় আকস্মিক বন্দুকহামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রক্তক্ষয়ী এই হামলায় হামলাকারীসহ
অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।
এতে
আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও অন্তত সাতজন।
স্থানীয় সময় গত শনিবার
এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত
করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
ঘটনার
বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে স্থানীয় পুলিশ
প্রধান ম্যাথিউ হিকস বলেন, "হামলার
সময় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। হতাহতের
প্রকৃত সংখ্যা জানতে এখনো কাজ করে
যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।"
এর পরপরই এলাকার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান,
আপাতত আর কোনো হামলার
হুমকি নেই।
ঘটনার
প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি সেই
ভয়াবহ মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান,
তিনি রেস্তোরাঁর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক তখনই তিনি
দেখতে পান এআর স্টাইলের
রাইফেল হাতে এক ব্যক্তি
রেস্তোরাঁ থেকে বের হয়ে
আসছেন। এমন সময় অন্য
এক পিস্তলধারী ওই হামলাকারীকে লক্ষ্য
করে পাল্টা গুলি চালান। একই
সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেস্তোরাঁর এক
কর্মীকে গুলিবিদ্ধ এক নারীকে টেনে
নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতেও দেখেন বলে জানান সেই
প্রত্যক্ষদর্শী।
প্রাথমিক
তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় মূলত
একজন ব্যক্তিই সরাসরি জড়িত ছিল বলে
ধারণা করা হচ্ছে। তবে
বিষয়টি নিয়ে আরও গভীর
তদন্ত চলছে।
শহরের
মুখপাত্র জশ পামার নিশ্চিত
করে বলেন, এ ঘটনায় অন্য
কেউ জড়িত কি না
তা-ও খতিয়ে দেখা
হচ্ছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের
পর পুরো এলাকায় থমথমে
পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তার
স্বার্থে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের
আইডাহো অঙ্গরাজ্যের টুইন ফলস এলাকায়
একটি রেস্তোরাঁয় আকস্মিক বন্দুকহামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রক্তক্ষয়ী এই হামলায় হামলাকারীসহ
অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।
এতে
আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও অন্তত সাতজন।
স্থানীয় সময় গত শনিবার
এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত
করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
ঘটনার
বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে স্থানীয় পুলিশ
প্রধান ম্যাথিউ হিকস বলেন, "হামলার
সময় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। হতাহতের
প্রকৃত সংখ্যা জানতে এখনো কাজ করে
যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।"
এর পরপরই এলাকার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান,
আপাতত আর কোনো হামলার
হুমকি নেই।
ঘটনার
প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি সেই
ভয়াবহ মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান,
তিনি রেস্তোরাঁর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক তখনই তিনি
দেখতে পান এআর স্টাইলের
রাইফেল হাতে এক ব্যক্তি
রেস্তোরাঁ থেকে বের হয়ে
আসছেন। এমন সময় অন্য
এক পিস্তলধারী ওই হামলাকারীকে লক্ষ্য
করে পাল্টা গুলি চালান। একই
সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেস্তোরাঁর এক
কর্মীকে গুলিবিদ্ধ এক নারীকে টেনে
নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতেও দেখেন বলে জানান সেই
প্রত্যক্ষদর্শী।
প্রাথমিক
তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় মূলত
একজন ব্যক্তিই সরাসরি জড়িত ছিল বলে
ধারণা করা হচ্ছে। তবে
বিষয়টি নিয়ে আরও গভীর
তদন্ত চলছে।
শহরের
মুখপাত্র জশ পামার নিশ্চিত
করে বলেন, এ ঘটনায় অন্য
কেউ জড়িত কি না
তা-ও খতিয়ে দেখা
হচ্ছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের
পর পুরো এলাকায় থমথমে
পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তার
স্বার্থে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন