সংবাদ

মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি: ইরানে জোড়া ফাঁসি কার্যকর


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি: ইরানে জোড়া ফাঁসি কার্যকর

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে দুই ব্যক্তির সাজা কার্যকর করেছে ইরান। পূর্বের মৃত্যুদণ্ডের রায বহাল রেখে সোমবার ভোররাতে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, সাজা কার্যকর হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন ওমিদ বেহজাদ এবং পৌরিয়া সাফভাত।

সরকারি সূত্রের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর মোসাদ সরাসরি পরোক্ষ যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইরানের অভ্যন্তরে এজেন্ট নিয়োগের অপচেষ্টা চালায়।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৪০ দিনের যুদ্ধ চলাকালে ওমিদ বেহজাদ বারবার সামরিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্পর্শকাতর নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলোর স্থান, ভৌগোলিক অবস্থান স্থানাঙ্ক (কো-অর্ডিনেট) মোসাদ-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কে পাঠাতেন। ম্যাপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে তিনি এসব তথ্য সংগ্রহ প্রেরণ করেছিলেন।

নথিপত্র অনুযায়ী, ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের পরিচালক তাকে জানিয়েছিল, যাচাই-বাছাই শেষে ওই তথ্যগুলো ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত করে সরাসরি মোসাদের কাছে পৌঁছানো হবে।

অন্যদিকে, পৌরিয়া সাফভাতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি তথ্য 'ইরান ইন্টারন্যাশনাল' টেলিভিশন নেটওয়ার্কে পাঠানোর প্রমাণ মিলেছে, যা মোসাদের যোগাযোগ কাঠামোর অংশ বলে দাবি ইরানি কর্তৃপক্ষের। তার পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে কয়েকটি স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়। এছাড়া ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে উঁচু ভবনের ছাদ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভিডিও ধারণ করে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা শাখা দুজনকে গ্রেফতার করে। ইসরায়েলি শাসনের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে তারা দোষী সাব্যস্ত হলে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং সর্বশেষ তা কার্যকর করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি: ইরানে জোড়া ফাঁসি কার্যকর

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে দুই ব্যক্তির সাজা কার্যকর করেছে ইরান। পূর্বের মৃত্যুদণ্ডের রায বহাল রেখে সোমবার ভোররাতে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, সাজা কার্যকর হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন ওমিদ বেহজাদ এবং পৌরিয়া সাফভাত।

সরকারি সূত্রের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর মোসাদ সরাসরি পরোক্ষ যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইরানের অভ্যন্তরে এজেন্ট নিয়োগের অপচেষ্টা চালায়।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৪০ দিনের যুদ্ধ চলাকালে ওমিদ বেহজাদ বারবার সামরিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্পর্শকাতর নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলোর স্থান, ভৌগোলিক অবস্থান স্থানাঙ্ক (কো-অর্ডিনেট) মোসাদ-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কে পাঠাতেন। ম্যাপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে তিনি এসব তথ্য সংগ্রহ প্রেরণ করেছিলেন।

নথিপত্র অনুযায়ী, ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের পরিচালক তাকে জানিয়েছিল, যাচাই-বাছাই শেষে ওই তথ্যগুলো ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত করে সরাসরি মোসাদের কাছে পৌঁছানো হবে।

অন্যদিকে, পৌরিয়া সাফভাতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি তথ্য 'ইরান ইন্টারন্যাশনাল' টেলিভিশন নেটওয়ার্কে পাঠানোর প্রমাণ মিলেছে, যা মোসাদের যোগাযোগ কাঠামোর অংশ বলে দাবি ইরানি কর্তৃপক্ষের। তার পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে কয়েকটি স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়। এছাড়া ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে উঁচু ভবনের ছাদ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভিডিও ধারণ করে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা শাখা দুজনকে গ্রেফতার করে। ইসরায়েলি শাসনের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে তারা দোষী সাব্যস্ত হলে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং সর্বশেষ তা কার্যকর করা হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত