সংবাদ

সবুজ শিল্পায়ন ও সৌর বিদ্যুতে জোর প্রধানমন্ত্রীর


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

সবুজ শিল্পায়ন ও সৌর বিদ্যুতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

  • সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ
  • পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান
  • দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি আমন্ত্রণ

শিল্পায়নের সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ, আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একদিনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশগত সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভা এবং সৌর বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত পৃথক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। এদিন তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং দেশবাসীকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও বার্তা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) জানান, বেজার গভর্নিং বোর্ডের নবম সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শুধু শিল্পায়ন নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইপিজেডে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার বৃক্ষ রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় নারায়ণগঞ্জের করিম জুট মিলস ও লতিফ বাওয়ানী জুট মিলসের অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামোকে আধুনিক শিল্প স্থাপনে ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্সের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিনটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন ও সচিবালয়সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে।

এছাড়া দেশে সোলার ইনভার্টার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে সরকারি সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের কাছে সৌর বিদ্যুৎকে সাশ্রয়ী করতে একটি কার্যকর ‘অর্থনৈতিক মডেল’ তৈরির নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও ওয়ালটন গ্রুপ পৃথক উপস্থাপনায় আবাসিক ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি ভবনগুলো উদাহরণ সৃষ্টি করলে সাধারণ মানুষও এই প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত হবে।

পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান

সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় দেশবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি দেশটাকে পরিষ্কার রাখতে। যত্রতত্র প্লাস্টিক ও আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি।’

নিজের সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পুকুর বা রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ দেখে কষ্ট হয়। আমরা সচেতন হলে এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আবর্জনা মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ দেশ রেখে যেতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্পর্শ করে। ৪০ বা ৩০ বছর আগের তুলনায় বর্তমান সময়ে ঢাকা শহরসহ জেলা, উপজেলা ও গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট এবং বাজার এলাকায় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ নানাবিধ আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি আমন্ত্রণ

এদিন দুপুরে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (সিইপিএ) সইয়ের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ, সেমিকন্ডাক্টর ও অটোমোবাইল খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বিশেষ করে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


সবুজ শিল্পায়ন ও সৌর বিদ্যুতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

  • সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ
  • পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান
  • দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি আমন্ত্রণ

শিল্পায়নের সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ, আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একদিনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশগত সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভা এবং সৌর বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত পৃথক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। এদিন তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং দেশবাসীকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও বার্তা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) জানান, বেজার গভর্নিং বোর্ডের নবম সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শুধু শিল্পায়ন নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইপিজেডে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার বৃক্ষ রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় নারায়ণগঞ্জের করিম জুট মিলস ও লতিফ বাওয়ানী জুট মিলসের অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামোকে আধুনিক শিল্প স্থাপনে ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্সের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিনটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন ও সচিবালয়সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে।

এছাড়া দেশে সোলার ইনভার্টার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে সরকারি সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের কাছে সৌর বিদ্যুৎকে সাশ্রয়ী করতে একটি কার্যকর ‘অর্থনৈতিক মডেল’ তৈরির নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও ওয়ালটন গ্রুপ পৃথক উপস্থাপনায় আবাসিক ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি ভবনগুলো উদাহরণ সৃষ্টি করলে সাধারণ মানুষও এই প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত হবে।

পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান

সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় দেশবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি দেশটাকে পরিষ্কার রাখতে। যত্রতত্র প্লাস্টিক ও আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি।’

নিজের সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পুকুর বা রাস্তার পাশে ময়লার স্তূপ দেখে কষ্ট হয়। আমরা সচেতন হলে এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আবর্জনা মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ দেশ রেখে যেতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্পর্শ করে। ৪০ বা ৩০ বছর আগের তুলনায় বর্তমান সময়ে ঢাকা শহরসহ জেলা, উপজেলা ও গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট এবং বাজার এলাকায় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ নানাবিধ আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি আমন্ত্রণ

এদিন দুপুরে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (সিইপিএ) সইয়ের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ, সেমিকন্ডাক্টর ও অটোমোবাইল খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বিশেষ করে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত