আগামী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুদে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বিবেচনা করে ও অভিভাবকদের উদ্বেগ কমাতে আগের মতো লটারির মাধ্যমেই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে নামেমাত্র পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক বিভাগের একজন কর্মকর্তা এ
তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, "প্রথম
শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আগের
মতোই লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। অন্য শ্রেণিগুলোর
ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত হবে।"
শিক্ষা
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এর
আগে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রাথমিক ঘোষণার পর থেকেই অভিভাবকদের
মাঝে তীব্র শঙ্কা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে
পড়েছিল। কোমলমতি শিশুদের পরীক্ষার টেবিলে বসাতে অনেক অভিভাবক কোচিং
সেন্টার ও গৃহশিক্ষকদের দ্বারস্থ
হতে বাধ্য হচ্ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা তৈরি
হলে শিক্ষা মন্ত্রী নামমাত্র পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে আশ্বাস
দেওয়ার চেষ্টা করলেও অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা কমেনি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত
পরীক্ষা নেওয়ার অবস্থান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পিছিয়ে
এসেছে মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত,
দেশে কোচিং বাণিজ্যের দাপট কমাতে এবং
ভর্তি প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ
দূর করতে ২০১১ সালে
সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি প্রথা চালু করা হয়েছিল।
তবে চলতি বছরের ১৬
মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন যে আগামী শিক্ষাবর্ষ
থেকে লটারি পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়া
হবে।
একই
দিনে মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতেও জানানো
হয়েছিল, ২০২৭ সাল থেকে
সরকারি ও বেসরকারি সব
স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি
পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে অংশীদারদের আলোচনায়
নতুন প্রক্রিয়া আনা হবে। তবে
নতুন এই সিদ্ধান্তের পর
প্রথম শ্রেণির কোমলমতি শিশুদের আপাতত আর পরীক্ষা প্রতিযোগিতার
মুখোমুখি হতে হচ্ছে না।
প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের সব ধরনের প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রতি বছর ৩৫ লাখের
বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
আগামী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুদে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বিবেচনা করে ও অভিভাবকদের উদ্বেগ কমাতে আগের মতো লটারির মাধ্যমেই প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে নামেমাত্র পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক বিভাগের একজন কর্মকর্তা এ
তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, "প্রথম
শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আগের
মতোই লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। অন্য শ্রেণিগুলোর
ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত হবে।"
শিক্ষা
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এর
আগে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রাথমিক ঘোষণার পর থেকেই অভিভাবকদের
মাঝে তীব্র শঙ্কা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে
পড়েছিল। কোমলমতি শিশুদের পরীক্ষার টেবিলে বসাতে অনেক অভিভাবক কোচিং
সেন্টার ও গৃহশিক্ষকদের দ্বারস্থ
হতে বাধ্য হচ্ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা তৈরি
হলে শিক্ষা মন্ত্রী নামমাত্র পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে আশ্বাস
দেওয়ার চেষ্টা করলেও অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা কমেনি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত
পরীক্ষা নেওয়ার অবস্থান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পিছিয়ে
এসেছে মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত,
দেশে কোচিং বাণিজ্যের দাপট কমাতে এবং
ভর্তি প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ
দূর করতে ২০১১ সালে
সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি প্রথা চালু করা হয়েছিল।
তবে চলতি বছরের ১৬
মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন যে আগামী শিক্ষাবর্ষ
থেকে লটারি পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়া
হবে।
একই
দিনে মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতেও জানানো
হয়েছিল, ২০২৭ সাল থেকে
সরকারি ও বেসরকারি সব
স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি
পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে অংশীদারদের আলোচনায়
নতুন প্রক্রিয়া আনা হবে। তবে
নতুন এই সিদ্ধান্তের পর
প্রথম শ্রেণির কোমলমতি শিশুদের আপাতত আর পরীক্ষা প্রতিযোগিতার
মুখোমুখি হতে হচ্ছে না।
প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের সব ধরনের প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রতি বছর ৩৫ লাখের
বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়।

আপনার মতামত লিখুন