বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে আগামী দুই মাসের জন্য নির্বাচনসংক্রান্ত সব কার্যক্রম আপাতত বন্ধ। ফলে আগামী ৮ আগস্ট নির্ধারিত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ সময় এফবিসিসিআই সালিশ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। তার দাবি, সালিশ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি। এ কারণেই আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বদরুদ্দোজা ও মো. মনিরুজ্জামান আসাদ। তাদের সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খাইরুল আলাম।
এদিকে, নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘আদালতের আদেশের অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
চলতি বছরের এপ্রিলে নির্বাচন কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করে। পরে ভোটের তারিখ ১১ জুলাই থেকে পরিবর্তন করে ৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল।
এক প্যানেলে ছিলেন খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলম। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে ছিলেন আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপু।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে আগামী দুই মাসের জন্য নির্বাচনসংক্রান্ত সব কার্যক্রম আপাতত বন্ধ। ফলে আগামী ৮ আগস্ট নির্ধারিত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ সময় এফবিসিসিআই সালিশ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। তার দাবি, সালিশ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি। এ কারণেই আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি।
রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বদরুদ্দোজা ও মো. মনিরুজ্জামান আসাদ। তাদের সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খাইরুল আলাম।
এদিকে, নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘আদালতের আদেশের অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
চলতি বছরের এপ্রিলে নির্বাচন কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করে। পরে ভোটের তারিখ ১১ জুলাই থেকে পরিবর্তন করে ৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল।
এক প্যানেলে ছিলেন খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলম। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে ছিলেন আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপু।

আপনার মতামত লিখুন