৩ আগস্ট, ২০২৬ দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। লন্ডনে তার চিকিৎসা চলেছে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে। ফেরার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা একে একে তার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। তবে শরীরের অবস্থা এখন আগের মতো নেই। চলাফেরা স্বাভাবিক নয়। পরিচিত অনেক মানুষকে তিনি চিনতে পারছেন না। কিছু বিষয় মনে রাখতেও সমস্যা হচ্ছে - এমন তথ্য দিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠরা।
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সহ-সভাপতি লিটন এরশাদ গণমাধ্যমকে ইলিয়াস কাঞ্চনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, চিকিৎসার প্রভাবের কারণে অভিনেতার চলাফেরায় পরিবর্তন এসেছে। ‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইয়ের চলাফেরায় আগের সেই স্বাভাবিকতা আর নেই। কাউকে কাউকে চিনতে পারেন, আবার অনেককেই পারেন না। অনেক কিছুই মনে থাকে না।’
লিটন এরশাদ একটি সাম্প্রতিক ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন। একদিন তারা একসঙ্গে জুমার নামাজ পড়েন। নামাজ শেষ হতেই ইলিয়াস কাঞ্চনের শরীর খারাপ হয়ে যায়। পরে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। লিটন বলেন, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির দীর্ঘ ধকলের ফলেই শরীরে এমন পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।
চিকিৎসার অংশ হিসেবে কেমো ও রেডিও মিলিয়ে প্রায় একশটি থেরাপি নিতে হয়েছে ইলিয়াস কাঞ্চনকে। এত দীর্ঘ সময়ের চিকিৎসার পর শরীরে প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। তবে ভালো খবর হলো - চিকিৎসার ফলে টিউমারের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
লিটন এরশাদ জানান, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি ইতিমধ্যে শেষ। এখন সিটি স্ক্যান ও এমআরআই করাতে হবে। সেই ফলাফল দেখে পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২০২৫ এর শুরুতেই ইলিয়াস কাঞ্চনের শরীরে টিউমার ধরা পড়ে। পারিবারিক সিদ্ধান্তে ২৬ এপ্রিল তাকে লন্ডনে পাঠানো হয়। প্রথমে হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসা শুরু হয়। প্রায় তিন মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার পর উইলিংটন হাসপাতালে অধ্যাপক ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।
দেশে ফিরলেও ইলিয়াস কাঞ্চন এখনো পুরোপুরি চিকিৎসামুক্ত নন। পরবর্তী পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে আবার লন্ডনে যেতে হতে পারে। ফেরার পর চিত্রনায়ক আলমগীর, অভিনেত্রী রোজিনা, শবনমসহ বেশ কয়েকজন সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার সঙ্গে দেখা করেছেন। সবাই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
৩ আগস্ট, ২০২৬ দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। লন্ডনে তার চিকিৎসা চলেছে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে। ফেরার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা একে একে তার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। তবে শরীরের অবস্থা এখন আগের মতো নেই। চলাফেরা স্বাভাবিক নয়। পরিচিত অনেক মানুষকে তিনি চিনতে পারছেন না। কিছু বিষয় মনে রাখতেও সমস্যা হচ্ছে - এমন তথ্য দিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠরা।
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সহ-সভাপতি লিটন এরশাদ গণমাধ্যমকে ইলিয়াস কাঞ্চনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, চিকিৎসার প্রভাবের কারণে অভিনেতার চলাফেরায় পরিবর্তন এসেছে। ‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইয়ের চলাফেরায় আগের সেই স্বাভাবিকতা আর নেই। কাউকে কাউকে চিনতে পারেন, আবার অনেককেই পারেন না। অনেক কিছুই মনে থাকে না।’
লিটন এরশাদ একটি সাম্প্রতিক ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন। একদিন তারা একসঙ্গে জুমার নামাজ পড়েন। নামাজ শেষ হতেই ইলিয়াস কাঞ্চনের শরীর খারাপ হয়ে যায়। পরে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। লিটন বলেন, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির দীর্ঘ ধকলের ফলেই শরীরে এমন পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।
চিকিৎসার অংশ হিসেবে কেমো ও রেডিও মিলিয়ে প্রায় একশটি থেরাপি নিতে হয়েছে ইলিয়াস কাঞ্চনকে। এত দীর্ঘ সময়ের চিকিৎসার পর শরীরে প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। তবে ভালো খবর হলো - চিকিৎসার ফলে টিউমারের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
লিটন এরশাদ জানান, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি ইতিমধ্যে শেষ। এখন সিটি স্ক্যান ও এমআরআই করাতে হবে। সেই ফলাফল দেখে পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২০২৫ এর শুরুতেই ইলিয়াস কাঞ্চনের শরীরে টিউমার ধরা পড়ে। পারিবারিক সিদ্ধান্তে ২৬ এপ্রিল তাকে লন্ডনে পাঠানো হয়। প্রথমে হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসা শুরু হয়। প্রায় তিন মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার পর উইলিংটন হাসপাতালে অধ্যাপক ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।
দেশে ফিরলেও ইলিয়াস কাঞ্চন এখনো পুরোপুরি চিকিৎসামুক্ত নন। পরবর্তী পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে আবার লন্ডনে যেতে হতে পারে। ফেরার পর চিত্রনায়ক আলমগীর, অভিনেত্রী রোজিনা, শবনমসহ বেশ কয়েকজন সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার সঙ্গে দেখা করেছেন। সবাই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন